বিজিবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে মহান বিজয় দিবস–২০২৫ উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ঢাকার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরসহ বাহিনীর সকল রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ইউনিটে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
দিবসের সূচনা হয় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরসহ সারাদেশে বিজিবির সকল স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। প্রত্যুষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী অংশগ্রহণ করেন।
পরে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি পিলখানাস্থ ‘সীমান্ত গৌরব’-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় বিজিবির একটি সুসজ্জিত চৌকস দল শহীদদের প্রতি ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পিলখানাসহ সারাদেশে বিজিবির সকল ইউনিটে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। পিলখানায় আয়োজিত কেন্দ্রীয় প্রীতিভোজে বিজিবি মহাপরিচালক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সকল ইউনিটের মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, বীর ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিজিবির উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বিজয় দিবসকে আনন্দঘন করে তুলতে বিজিবি সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ এবং বিজিবি পরিচালিত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিজিবি সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পিলখানাস্থ বিজিবি জাদুঘর ও চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হয়।
পাশাপাশি বিজিবি পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি ও হা-ডুডু টুর্নামেন্টসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটারে বিজিবি অর্কেস্ট্রা ও ব্যান্ডদলের সংগীত ও বাদ্য পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিজিবি সদর দপ্তরসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হয়। ইউনিটগুলোর গেট ও আশপাশের এলাকা জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সুশোভিত করা হয়, যা মহান বিজয় দিবসের আনন্দ ও গৌরবকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।



















