ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত তারেক রহমানের তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে পারে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন সংসদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব কমেছে, সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান কাউন্টডাউন শুরু: তিন-চার দিনের মধ্যেই শপথ নতুন মন্ত্রিসভার শারমিন জাহানের কবিতা ‘ভালোবাসার সংজ্ঞা’ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপি চাইলে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা ১৫ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের প্রস্তুত বিএনপি নির্বাচনের আলোচনায় থাকা পরিচিত মুখদের অনেকেরেই ভরাডুবি

বিএনপি চাইলে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চাইলে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সরাইল, আশুগঞ্জ বিজয়নগরের একাংশ) আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি যদি ভবিষ্যতে তাকে দলে ফিরিয়ে নিতে চায়, তবে তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা বলেন। সময় নিজের নির্বাচনী প্রতীকহাঁসসঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন তিনি।

এবারের নির্বাচনেহাঁসপ্রতীক নিয়ে অংশ নিয়ে তিনি লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বিএনপিজোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে পান ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ৩৮ হাজারেরও বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা প্রতীকের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আবেগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই হাঁসমুরগি কবুতর পালনের শখ ছিল তার। পারিবারিক কারণে শহুরে জীবনে চলে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরে আবার সেই পুরোনো অভ্যাসে ফিরেছেন। অবসর সময় কাটান হাঁসমুরগির সঙ্গেই। সেখান থেকেইহাঁসপ্রতীক বেছে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পান।

জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা সহজ ছিল না। তার চেয়েও কঠিন সময় পার করেছেন তার নেতাকর্মীরা। গত ১৭ বছর ধরে তারা ত্যাগ পরিশ্রম করেছেন; অনেকে ঘরে থাকতে পারেননি, বহিষ্কারের মুখে পড়েছেন।

তিনি বলেন, আমি না জিতলে হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে পেশায় যোগ দিতাম। কিন্তু আমার কর্মীরা কোথায় যেত? তাদের এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করব?

ভোটগ্রহণের দিন অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি। দাবি করেন, দুপুরের পর কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট কারচুপির চেষ্টা ফলাফল বিলম্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে গিয়ে তিনি নিজেই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন বলে জানান।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী না হওয়ায় নিজের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে কাজের বিকল্প নেই।আবার যদি ভোটে দাঁড়াতে হয়, কাজই হবে একমাত্র ভরসা, যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি বিএনপিজোটের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করায় সরাইল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ১০ নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপি চাইলে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সরাইল, আশুগঞ্জ বিজয়নগরের একাংশ) আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি যদি ভবিষ্যতে তাকে দলে ফিরিয়ে নিতে চায়, তবে তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা বলেন। সময় নিজের নির্বাচনী প্রতীকহাঁসসঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন তিনি।

এবারের নির্বাচনেহাঁসপ্রতীক নিয়ে অংশ নিয়ে তিনি লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বিএনপিজোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে পান ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ৩৮ হাজারেরও বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা প্রতীকের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আবেগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই হাঁসমুরগি কবুতর পালনের শখ ছিল তার। পারিবারিক কারণে শহুরে জীবনে চলে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরে আবার সেই পুরোনো অভ্যাসে ফিরেছেন। অবসর সময় কাটান হাঁসমুরগির সঙ্গেই। সেখান থেকেইহাঁসপ্রতীক বেছে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পান।

জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা সহজ ছিল না। তার চেয়েও কঠিন সময় পার করেছেন তার নেতাকর্মীরা। গত ১৭ বছর ধরে তারা ত্যাগ পরিশ্রম করেছেন; অনেকে ঘরে থাকতে পারেননি, বহিষ্কারের মুখে পড়েছেন।

তিনি বলেন, আমি না জিতলে হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে পেশায় যোগ দিতাম। কিন্তু আমার কর্মীরা কোথায় যেত? তাদের এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করব?

ভোটগ্রহণের দিন অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি। দাবি করেন, দুপুরের পর কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট কারচুপির চেষ্টা ফলাফল বিলম্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে গিয়ে তিনি নিজেই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন বলে জানান।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী না হওয়ায় নিজের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে কাজের বিকল্প নেই।আবার যদি ভোটে দাঁড়াতে হয়, কাজই হবে একমাত্র ভরসা, যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি বিএনপিজোটের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করায় সরাইল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ১০ নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়।