ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবারের প্রতি মাসে মিলবে ২,৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা
- আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।
বৈঠক শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীদের জন্য এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা আর্থিক সুবিধা পাবেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভিত্তিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি একটি ইউনিভার্সাল প্রোগ্রাম।
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারিত হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করার জন্য ডোর-টু-ডোর তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং ঘরে বসে কোনো বাছাই করা হবে না। কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সরকারি কর্মকর্তারা, ইউএনও এবং উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোর তত্ত্বাবধানে। তদারকি নিশ্চিত করতে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট চেকিং ও রি-চেকিং প্রক্রিয়া থাকবে।
মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে কতজন নারী সুবিধা পাবেন তা নির্ধারণ করা হবে ফিল্ড লেভেলে। এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারের স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অর্থসংস্থানের বিষয়ে তিনি জানান, প্রাথমিক পাইলট প্রোগ্রামের জন্য বরাদ্দ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি নিয়মিত বাজেট থেকে চালু হবে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রোগ্রামটি বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি দেশের দরিদ্র নারী ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করবে।
মন্ত্রি বলেন, সার্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলে সম্প্রসারিত হবে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির মা-দের সুবিধা দেওয়া হবে। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে পুরো পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও উন্নত জীবন যাপন করতে পারবে।










