ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

পাকিস্তানে শিক্ষকের অভাব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১ ৪০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে শিক্ষকের অভাবে ছয় হাজার ৮৬৬ স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। এ ছাড়া প্রদেশটিতে সাত হাজার ৯৭৪টি স্কুল অকার্যকর।

সম্প্রতি সিন্ধু হাইকোর্টকে (এসএইচসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। স্কুল শিক্ষা সচিব এসএইচসিকে আরও জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।

তিনি সিন্ধু শিশুদের বাধ্যতামূলক শিক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে অধিকার কর্মী এবং সংগঠনগুলোর দায়ের করা একই ধরনের পিটিশনের বিষয়ে মন্তব্য দাখিল করছিলেন।

এসএইচসি এর আগে স্কুল শিক্ষা সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল, প্রদেশজুড়ে কতগুলো স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা।

স্কুল শিক্ষা সচিব আদালতকে জানান, সিন্ধু মন্ত্রিসভা টিচিং স্টাফের সদস্যদের বদলি এবং নিয়োগের জন্য একটি অনলাইন নীতি অনুমোদন করেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই নতুন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষকদের শুধু উদ্বৃত্ত শিক্ষক-কর্মচারী হিসাবে বিদ্যালয় থেকে বদলি করা হবে যেখানে ঘাটতি বা সম্পূর্ণ শিক্ষকের অভাব আছে।

তিনি বলেন, যে সব স্কুল থেকে শিক্ষকদের বদলি করা হচ্ছে তাদের বদলির মাধ্যমে কার্যকর বিদ্যালয় পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া চলছে এবং এর ফলে প্রদেশের বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে লারকানার শত শত স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকরা তাদের বেতন নিয়েছেন, যদিও তারা কোনো কাজ করেননি।

বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে, পাবলিক স্কুলের অবস্থা সন্তোষজনক নয় এবং স্কুল শিক্ষা সচিবকে নিছক কাগজপত্রের পরিবর্তে সুদৃঢ় প্রচেষ্টা করতে বলেছে যাতে দরিদ্র শিশুরা আইন থেকে উপকৃত হতে পারে এবং বিনামূল্যে এবং মানসম্মত শিক্ষা লাভ করতে পারে।

এই কর্মকর্তা তার মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, সরকার সারা প্রদেশজুড়ে ৪৫ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করছে এবং পাঁচ থেকে ১৬ বছর বয়সি পাবলিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলের বাইরের শিশুদের ভর্তি করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে শিক্ষকের অভাব

আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে শিক্ষকের অভাবে ছয় হাজার ৮৬৬ স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। এ ছাড়া প্রদেশটিতে সাত হাজার ৯৭৪টি স্কুল অকার্যকর।

সম্প্রতি সিন্ধু হাইকোর্টকে (এসএইচসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। স্কুল শিক্ষা সচিব এসএইচসিকে আরও জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।

তিনি সিন্ধু শিশুদের বাধ্যতামূলক শিক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে অধিকার কর্মী এবং সংগঠনগুলোর দায়ের করা একই ধরনের পিটিশনের বিষয়ে মন্তব্য দাখিল করছিলেন।

এসএইচসি এর আগে স্কুল শিক্ষা সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল, প্রদেশজুড়ে কতগুলো স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা।

স্কুল শিক্ষা সচিব আদালতকে জানান, সিন্ধু মন্ত্রিসভা টিচিং স্টাফের সদস্যদের বদলি এবং নিয়োগের জন্য একটি অনলাইন নীতি অনুমোদন করেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই নতুন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষকদের শুধু উদ্বৃত্ত শিক্ষক-কর্মচারী হিসাবে বিদ্যালয় থেকে বদলি করা হবে যেখানে ঘাটতি বা সম্পূর্ণ শিক্ষকের অভাব আছে।

তিনি বলেন, যে সব স্কুল থেকে শিক্ষকদের বদলি করা হচ্ছে তাদের বদলির মাধ্যমে কার্যকর বিদ্যালয় পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া চলছে এবং এর ফলে প্রদেশের বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে লারকানার শত শত স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকরা তাদের বেতন নিয়েছেন, যদিও তারা কোনো কাজ করেননি।

বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে, পাবলিক স্কুলের অবস্থা সন্তোষজনক নয় এবং স্কুল শিক্ষা সচিবকে নিছক কাগজপত্রের পরিবর্তে সুদৃঢ় প্রচেষ্টা করতে বলেছে যাতে দরিদ্র শিশুরা আইন থেকে উপকৃত হতে পারে এবং বিনামূল্যে এবং মানসম্মত শিক্ষা লাভ করতে পারে।

এই কর্মকর্তা তার মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, সরকার সারা প্রদেশজুড়ে ৪৫ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করছে এবং পাঁচ থেকে ১৬ বছর বয়সি পাবলিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলের বাইরের শিশুদের ভর্তি করার জন্য।