নিরাপত্তার কারণে ভারতের ভেন্যুতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের নির্ধারিত ভেন্যুতে অংশ না নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রবিবার বোর্ডের ১৭ জন পরিচালকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিসিবি সূত্র জানায়, বিষয়টি শুধুমাত্র ক্রিকেটীয় প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সামগ্রিক কূটনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এই অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
এর আগে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে বিসিবির পরিচালকেরা অনলাইনে বৈঠক করেন। সে সময় অধিকাংশ পরিচালক তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার পক্ষে মত দেন। তবে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর বোর্ড পুনরায় বিষয়টি বিবেচনায় নেয় এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। এ প্রসঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন জানান, খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বোর্ডের অবস্থান পরিষ্কার করা হবে। পরে বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যমান প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে যৌক্তিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সে কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। বিসিবি আশা করছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ম, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কূটনৈতিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান হবে। ২০২৬ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। গ্রুপ পর্বের বাকি তিনটি ম্যাচও কলকাতা ও মুম্বাইয়ে নির্ধারিত ছিল। এরই মধ্যে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিসিবি ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে, যেখানে লিটন দাসকে অধিনায়ক করা হয়েছে। বোর্ড সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চেতনা অক্ষুণ্ন রেখে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, যেখানে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, সম্মান ও পেশাদারিত্ব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।


















