বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে ঢাকার সাভারে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার বাদ জুমা তিনি শেরেবাংলা নগরে পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে জিয়ারত শেষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এই কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আধা-সামরিক বাহিনী বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ, প্রধান ফটক ও আশপাশের সড়কে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট, রাখা হয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারি।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা: ছবি সংগ্রহ
নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত সাংবাদিকদের স্মৃতিসৌধের অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হলেও সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে ভেতরে আর কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সের বাইরে ও গেটসংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই স্মৃতিসৌধের সামনে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেছেন। তারা বর্তমানে জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের সামনে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শেলেবাংলা নগর ও সাভারে জাতীয় স্তামৃতিসৌধ ঘিরে তারেক রহমানের দুই কর্মসূচি ঘিরেজোরদার নিরাপত্তা
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ এবং সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে সকাল থেকে স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণ ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিকেল ৩টার দিকে সিএসএফ স্মৃতিসৌধের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এলাকা ত্যাগ করার পর স্মৃতিসৌধ আবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সামগ্রিকভাবে, তারেক রহমানের এই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বসম্পন্ন কর্মসূচিকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।