জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- আপডেট সময় : ০১:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
একুশ শুধু শোকের নয়, এটি গৌরব, আত্মত্যাগ ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার অঙ্গীকারের দিন
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহিদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সাজানো হয়েছে। নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।
বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিদর্শনকালে উপাচার্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বক্ষণিক তদারকির বিষয়গুলো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একুশ শুধু শোকের নয়, এটি গৌরব, আত্মত্যাগ ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার অঙ্গীকারের দিন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, অমর একুশে উদযাপন উপলক্ষ্যে গঠিত কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, হল প্রভোস্ট এবং চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের মানুষ ভাষাশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মরণে দিবসটি এখন বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক। ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর থেকে একুশ আন্তর্জাতিক পরিসরেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, প্রভাতফেরি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়েছে।
জাতির ইতিহাসে একুশের শিক্ষা-ভাষা, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার-নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টরা সবার সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।


















