গ্রেনেড হামলা : বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট
- আপডেট সময় : ০৮:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০২৩ ২২৮ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।
তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সেদিন তার ভাষণ শেষ করতে পারেননি। এমন সময় গ্রেনেড হামলা শুরু হয়।
গ্রেনেড হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী বেগম আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে মানববর্ম তৈরি করে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন।
শুধু গ্রেনেড হামলাই নয়, সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি লক্ষ্য গুলিও চালানো হয়। শেখ হাসিনার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেদিন গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
আহত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী-সমর্থকদের অনেকে শরীরে স্প্লিন্টার নিয়ে এখনো দুঃসহ মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
রবিবার আওয়ামী লীগের তরফে সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা অভিযোগ করে বলা হয়, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের মতোই ২১ আগস্টের হামলার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল। ঐ সময়ের কিছু সামরিক কর্মকর্তা আর জঙ্গি নেতাদের নিয়ে হাওয়া ভবনে বসে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আশ্বাসে সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়।
হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাকিস্তানে ট্রেনিং দেওয়া হয়। ট্রেনিংয়ের পর তাদের আর্জেস গ্রেনেডও সরবরাহ করে পাকিস্তান। আর হামলা শেষে পাকিস্তান ঘাতকদের আশ্রয়ও দেয়। মূলত আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।
সোমবার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে গ্রেনেড হামলার স্থানে তৈরি বেধিতে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধানো হবে। পরে অনুষ্ঠিত হবে আওয়ামী লীগের আলোচনা অনুষ্ঠান।



















