ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

কোভ্যাক্সিন ডেল্টার বিরুদ্ধে ৬৫ শতাংশ সুরক্ষা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

ভারত বায়োটেকের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিন। ভাইরাসটির ভারতীয় ধরন ডেল্টার বিরুদ্ধে এই টিকা ৬৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে সক্ষম বলা জানা গেছে। তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে আজ শনিবার  এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারত বায়োটেক।

বিবৃতিতে ভারত বায়োটেক জানায়, যাদের শরীরে করোনার উপসর্গ নেই তাদের ওপর ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে কোভ্যাক্সিন। আর যাদের উপসর্গ বেশ গুরুতর, তাদের ওপর এর কার্যকারিতা ৯৩ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারত বায়োটেকের করোনার টিকার সামগ্রিক কার্যকারিতা ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর করোনার অতিসংক্রামক ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনটি ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

ভারতের ২৫টি হাসপাতালে ১৩০ জন কোভিড-১৯ রোগীর ওপর কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালটি করা হয়েছে। এতে অংশ নেওয়াদের বয়স ১৮ থেকে ৯৮ বছরের মধ্যে ছিল। টিকা নেওয়ার পরে তাদের ১২ শতাংশের শরীরে মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের কম অংশগ্রহণকারীর গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছে ভারত বায়োটেক।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সঙ্গে যৌথভাবে কোভ্যাক্সিন উৎপাদন করছে ভারত বায়োটেক। ভারতে করোনার টিকাদান কার্যক্রমে শুরু থেকেই

সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের পাশাপাশি ভারত বায়োটেকের এই টিকা ব্যবহার হয়ে আসছে।খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষ্ণা ইলা জানান, ভারতজুড়ে পরিচালিত সবচেয়ে বড় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কোভ্যাক্সিনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে।

এর মধ্য দিয়ে টিকা উৎপাদনে ভারতের সক্ষমতার এক ধাপ এগিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোভ্যাক্সিন ডেল্টার বিরুদ্ধে ৬৫ শতাংশ সুরক্ষা

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

ভারত বায়োটেকের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিন। ভাইরাসটির ভারতীয় ধরন ডেল্টার বিরুদ্ধে এই টিকা ৬৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে সক্ষম বলা জানা গেছে। তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে আজ শনিবার  এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারত বায়োটেক।

বিবৃতিতে ভারত বায়োটেক জানায়, যাদের শরীরে করোনার উপসর্গ নেই তাদের ওপর ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে কোভ্যাক্সিন। আর যাদের উপসর্গ বেশ গুরুতর, তাদের ওপর এর কার্যকারিতা ৯৩ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারত বায়োটেকের করোনার টিকার সামগ্রিক কার্যকারিতা ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর করোনার অতিসংক্রামক ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনটি ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

ভারতের ২৫টি হাসপাতালে ১৩০ জন কোভিড-১৯ রোগীর ওপর কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালটি করা হয়েছে। এতে অংশ নেওয়াদের বয়স ১৮ থেকে ৯৮ বছরের মধ্যে ছিল। টিকা নেওয়ার পরে তাদের ১২ শতাংশের শরীরে মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের কম অংশগ্রহণকারীর গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছে ভারত বায়োটেক।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সঙ্গে যৌথভাবে কোভ্যাক্সিন উৎপাদন করছে ভারত বায়োটেক। ভারতে করোনার টিকাদান কার্যক্রমে শুরু থেকেই

সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের পাশাপাশি ভারত বায়োটেকের এই টিকা ব্যবহার হয়ে আসছে।খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষ্ণা ইলা জানান, ভারতজুড়ে পরিচালিত সবচেয়ে বড় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কোভ্যাক্সিনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে।

এর মধ্য দিয়ে টিকা উৎপাদনে ভারতের সক্ষমতার এক ধাপ এগিয়েছে।