এনইআইআর বন্ধের দাবিতে বিশৃঙ্খলা: অবৈধ মোবাইল ব্যবসায় ‘অপরাধের লাইসেন্স’ চায় তারা
- আপডেট সময় : ০৮:০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে একের পর এক সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মসূচিতে নেমেছে একটি স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী।
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে দোকানপাট বন্ধ, সড়ক অবরোধ এবং সরকারি স্থাপনায় হামলার মতো কর্মকাণ্ডকে সরাসরি ‘অপরাধের লাইসেন্স চাওয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
রোববার বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ বা চাপের মুখে এনইআইআর কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না। বরং অবৈধভাবে আমদানি করা ও কর ফাঁকি দেওয়া মোবাইল ফোনের কারণে রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতি এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি আর সহ্য করা হবে না।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়। একই সঙ্গে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের ওপর শুল্কহার ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ করা হয় এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অবৈধ হ্যান্ডসেটকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়।
অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও একটি অংশ সহিংস পথে নেমেছে।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে এনইআইআর বিরোধী আন্দোলনের নামে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব হুঁশিয়ার করে বলেন, এনইআইআর গ্রাহকের হ্যান্ডসেট নিরাপত্তা, চুরি রোধ এবং বৈধ বাজার নিশ্চিত করার একটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। এটিকে বাধাগ্রস্ত করার অর্থ অবৈধ ব্যবসা ও অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং সহিংসতায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।


















