ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েল লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বছরে স্বর্ণে জাকাত বেড়েছে ২০ হাজার ৮১৩ টাকা অমর একুশে বইমেলায় পাপেট  শোতে মুখর  শিশুপ্রহর ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহতর দাবি করেছে পাকিস্তান ঋণ মওকুফে কৃষকের স্বস্তি: বিশেষ দোয়ার আয়োজন বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর জেদ্দায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ওআইসি সম্মেলনের প্রান্তে ৫ দেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ দেবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

এনইআইআর বন্ধের দাবিতে বিশৃঙ্খলা: অবৈধ মোবাইল ব্যবসায় ‘অপরাধের লাইসেন্স’ চায় তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে একের পর এক সহিংস বিশৃঙ্খল কর্মসূচিতে নেমেছে একটি স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে দোকানপাট বন্ধ, সড়ক অবরোধ এবং সরকারি স্থাপনায় হামলার মতো কর্মকাণ্ডকে সরাসরিঅপরাধের লাইসেন্স চাওয়াবলে আখ্যা দিয়েছেন টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

রোববার বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ বা চাপের মুখে এনইআইআর কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না। বরং অবৈধভাবে আমদানি করা কর ফাঁকি দেওয়া মোবাইল ফোনের কারণে রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতি এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি আর সহ্য করা হবে না।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়। একই সঙ্গে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের ওপর শুল্কহার ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ দশমিক শতাংশ করা হয় এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অবৈধ হ্যান্ডসেটকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়।

অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও একটি অংশ সহিংস পথে নেমেছে।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে এনইআইআর বিরোধী আন্দোলনের নামে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব হুঁশিয়ার করে বলেন, এনইআইআর গ্রাহকের হ্যান্ডসেট নিরাপত্তা, চুরি রোধ এবং বৈধ বাজার নিশ্চিত করার একটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। এটিকে বাধাগ্রস্ত করার অর্থ অবৈধ ব্যবসা অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং সহিংসতায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এনইআইআর বন্ধের দাবিতে বিশৃঙ্খলা: অবৈধ মোবাইল ব্যবসায় ‘অপরাধের লাইসেন্স’ চায় তারা

আপডেট সময় : ০৮:০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে একের পর এক সহিংস বিশৃঙ্খল কর্মসূচিতে নেমেছে একটি স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে দোকানপাট বন্ধ, সড়ক অবরোধ এবং সরকারি স্থাপনায় হামলার মতো কর্মকাণ্ডকে সরাসরিঅপরাধের লাইসেন্স চাওয়াবলে আখ্যা দিয়েছেন টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

রোববার বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ বা চাপের মুখে এনইআইআর কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না। বরং অবৈধভাবে আমদানি করা কর ফাঁকি দেওয়া মোবাইল ফোনের কারণে রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতি এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি আর সহ্য করা হবে না।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়। একই সঙ্গে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের ওপর শুল্কহার ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ দশমিক শতাংশ করা হয় এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অবৈধ হ্যান্ডসেটকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়।

অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও একটি অংশ সহিংস পথে নেমেছে।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে এনইআইআর বিরোধী আন্দোলনের নামে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব হুঁশিয়ার করে বলেন, এনইআইআর গ্রাহকের হ্যান্ডসেট নিরাপত্তা, চুরি রোধ এবং বৈধ বাজার নিশ্চিত করার একটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। এটিকে বাধাগ্রস্ত করার অর্থ অবৈধ ব্যবসা অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং সহিংসতায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।