ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

আফগানিস্তানে চলবে চীনা শাসন, ভূ-রাজনীতিবিদের শঙ্কা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১ ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন সব সৈন্য আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহারের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, একজন ভূ-রাজনীতিবিদ মনে করছেন- এই সুযোগে আফগানিস্তানে উপস্থিতি বাড়িয়ে দিতে পারে চীন।

লন্ডনের লেখিকা জেসিকা তানিজা এ ব্যাপারে একটি কলাম লিখেছেন সম্প্রতি। কলামে তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছাড়া চীন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ও

নিরাপত্তাজনিত শূন্যতা পূরণেরও চেষ্টা করছে। চীনের জন্য আফগানিস্তান একটি কৌশলগত জায়গা, যে জায়গার মাধ্যমে এশিয়ায় নিজের শক্তি সংহত করতে সক্ষম হবে চীন।

তিনি আরো মনে করেন, চীন এখন শান্তিরক্ষী হওয়ার এবং সহিংসতাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছে। তবে হুট করেই এই অঞ্চল নিয়ে চীনের আকর্ষণ দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

জেসিকা তানিজা বলেন, বহু বছর ধরে তালেবান এবং তার মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার ব্যাপারে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ায়, চীন

দায়মুক্তভাবে কাজ করার এবং তালেবান নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে।

তানিজা মনে করেন, তালেবান নিয়ন্ত্রিত জাতির প্রতি চীনা বাণিজ্য সহায়তার বিষয়টি এই অঞ্চলে শক্তিশালী প্রভাব ফেলবে। তালেবান নেতারা এই অঞ্চলের পুনর্গঠনের দিকে নজর দিলে, চীন দেশটিকে পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন সহায়তা দেবে। অবশেষে

আফগানিস্তান ঋণের মধ্যে ডুবে যাবে এবং বেইজিং আফগানিস্তানের মূল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

উইঘুরদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের মধ্যেও চীন তার ভাবমূর্তি রক্ষার লড়াইয়ে উৎসাহ পাবে। কারণ হিসেবে তানিজা বলেন, উইঘুর নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চীন সরকার

সমালোচিত হলেও তালেবান এবং পাকিস্তান চীনের সমালোচনা করতে রাজি নয়।
সূত্র : জাস্ট আর্থ নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আফগানিস্তানে চলবে চীনা শাসন, ভূ-রাজনীতিবিদের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

মার্কিন সব সৈন্য আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহারের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, একজন ভূ-রাজনীতিবিদ মনে করছেন- এই সুযোগে আফগানিস্তানে উপস্থিতি বাড়িয়ে দিতে পারে চীন।

লন্ডনের লেখিকা জেসিকা তানিজা এ ব্যাপারে একটি কলাম লিখেছেন সম্প্রতি। কলামে তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছাড়া চীন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ও

নিরাপত্তাজনিত শূন্যতা পূরণেরও চেষ্টা করছে। চীনের জন্য আফগানিস্তান একটি কৌশলগত জায়গা, যে জায়গার মাধ্যমে এশিয়ায় নিজের শক্তি সংহত করতে সক্ষম হবে চীন।

তিনি আরো মনে করেন, চীন এখন শান্তিরক্ষী হওয়ার এবং সহিংসতাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছে। তবে হুট করেই এই অঞ্চল নিয়ে চীনের আকর্ষণ দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

জেসিকা তানিজা বলেন, বহু বছর ধরে তালেবান এবং তার মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার ব্যাপারে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ায়, চীন

দায়মুক্তভাবে কাজ করার এবং তালেবান নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে।

তানিজা মনে করেন, তালেবান নিয়ন্ত্রিত জাতির প্রতি চীনা বাণিজ্য সহায়তার বিষয়টি এই অঞ্চলে শক্তিশালী প্রভাব ফেলবে। তালেবান নেতারা এই অঞ্চলের পুনর্গঠনের দিকে নজর দিলে, চীন দেশটিকে পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন সহায়তা দেবে। অবশেষে

আফগানিস্তান ঋণের মধ্যে ডুবে যাবে এবং বেইজিং আফগানিস্তানের মূল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

উইঘুরদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের মধ্যেও চীন তার ভাবমূর্তি রক্ষার লড়াইয়ে উৎসাহ পাবে। কারণ হিসেবে তানিজা বলেন, উইঘুর নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চীন সরকার

সমালোচিত হলেও তালেবান এবং পাকিস্তান চীনের সমালোচনা করতে রাজি নয়।
সূত্র : জাস্ট আর্থ নিউজ।