আপনাদের শক্তিতেই জাতি মর্যাদার সঙ্গে মায়ের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে পেরেছে: তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ১০:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা ও দাফন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মায়ের শেষ বিদায়কে তিনি “ঐতিহাসিক বিদায়” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশের মানুষ যথাযথ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে এই বিদায় সম্পন্ন করতে পেরেছে, যা জাতির জন্য এক আবেগঘন ও স্মরণীয় অধ্যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া সাতটার কিছু আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগমথিত পোস্টে তারেক রহমান শোকের ভারে নুয়ে পড়া কণ্ঠে লেখেন, গভীর দুঃখের এই সময়ে দেশবাসী যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছে, তা তাঁর ও পরিবারের হৃদয় স্পর্শ করেছে। তিনি বলেন, মায়ের শেষ বিদায়ে যে শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় মিলেছে, তা সম্ভব হয়েছে দায়িত্বে নিয়োজিত সবার নিরলস প্রচেষ্টায়।
পোস্টে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। তার ভাষায়, শোকময় পরিবেশেও তাঁরা মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, লক্ষাধিক মানুষের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন, আনসার ও ভিডিপিসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নারী-পুরুষ সদস্যদের ধৈর্য, সততা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন তিনি।

যাঁদের কাজ অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়, সেই ডিজিএফআই, এনএসআই ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। তাঁদের সতর্কতা ও দায়িত্ববোধে পুরো আয়োজন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, এসএসএফ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সমবেদনা জানানো সম্ভব হওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসা ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশ-বিদেশের সাংবাদিকরা নিষ্ঠার সঙ্গে সংবাদ বিশ্বে পৌঁছে দেওয়ায় তাঁদের প্রতিও জানান আন্তরিক শ্রদ্ধা।
সবশেষে তিনি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জাতীয় শোকের এই কঠিন সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি ও সহানুভূতি পরিবারটির জন্য অমূল্য শক্তি হয়ে উঠেছে। আবেগভরা কণ্ঠে তিনি লেখেন, “আপনারাই সেই শক্তি, যার কারণে আমাদের পরিবার ও পুরো জাতি মর্যাদার সঙ্গে আমার মায়ের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে পেরেছে, আলহামদুলিল্লাহ।


















