আগামী সেপ্টেম্বর ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ০৮:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
ভারত রেয়াতি অর্থায়নের আওতায় প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ অবকাঠামো নির্মাণে ভারত-বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। এখন পর্যন্ত ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের চুক্তি হয়েছে এবং প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ ২০২২ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছে সেপ্টেম্বের ভারত সফর করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আগেই জুলাই মাসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে দেশ ক্ষতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের ভারত সফরে পার্টি টু পার্টি আলোচনা হবে।
ভারতের ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৃতীয় কনসেশনাল লাইন অব ক্রেডিট-এর আওতায় গৃহীত চট্টগ্রামের বারৈয়ারহাট-হেঁকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠান এসব তথ্য জানান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এসময় ওবায়দু কাদের মন্তব্য করেন, ভারত বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশের অন্য কারো কাছে যেতে হবে না।
চট্টগ্রামের বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঢাকার তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে বুধবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ওবায়দুল কাদের জানান, ভারতের লাইন অফ ক্রেডিট (এলও সি) মাধ্যমে ১১০০ টি বিআরটিসি বাস আনা হচ্ছে। এলওসি’র আওতায় নভেম্বরের মধ্যে নতুন করে ১০০ ইলেকট্রিক ডাবল ডেকার এসি বাস আনার আলোচনা চলছে।

হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা তার বক্তৃতায় বলেন, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে সকল ক্ষেত্রেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। রেয়াতি অর্থায়নের আওতায় প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ অবকাঠামো নির্মাণে ভারত-বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। এখন পর্যন্ত ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের চুক্তি হয়েছে এবং প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ ২০২২ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।
প্রণয় ভার্মা বলেন, কভিড-১৯ সংকটপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে ভারত দ্রুততম ও বৃহত্তম সেবা প্রদানকারী হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছে। সড়ক ও মহাসড়ক খাতের প্রকল্পসমূহে ৯৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের পাঁচটি প্রকল্প রয়েছে। যা সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মোট প্রতিশ্রুতির ১২%। অন্যদিকে ডাবল-ডেকার, সিঙ্গেল-ডেকার, এসি ও নন-এসি বাস এবং হেভি-ডিউটি ট্রাক সরবরাহে ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের তিনটি সরবরাহ প্রকল্প ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, যার ফলে সড়ক ও মহাসড়ক খাতে ভারতের মোট প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।

বারইয়েরহাট-হেঁকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প, ভারত সরকারের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় মোট ৮০.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে, খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত রামগড় উপজেলার বারইয়েরহাট-হেঁকো-রামগড় সড়কের প্রায় ৩৮ কিলোমিটার অংশ প্রশস্ত করার হবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও রামগড় স্থলবন্দরের মধ্যে সড়ক নেটওয়ার্কের উন্নতিতে অবদান রাখবে।
ভারত সরকারের অর্থায়নে ফেনী নদীর উপর ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে। এই সড়ক প্রকল্পটি সাব্রুম-রামগড় এলসিএস-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিমুখী বাণিজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে।



















