ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির

অমর একুশে বইমেলার দ্বার উন্মোচন,  বহুমাত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা

ঋদি হক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা

বহুমাত্রিক বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে হৃদয়ে ধারণ করে  ঢাকায় শুরু হলো প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গেই উন্মুক্ত হয়ে যায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের  মেলার দুয়ার।

বই আর বাঙালির আত্মার বন্ধনকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে এবার মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে প্রাঙ্গণ, তবে রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। মোট ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৮টি।

উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে রয়েছে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল, যেখানে নবীন চিন্তার সৃজনশীল ঢেউ বইবে প্রতিদিন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো শিশু চত্বরে রয়েছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান।

প্রতিদিন বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আর প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর, যেখানে গল্প, ছড়া আর আনন্দে মুখর হবে ছোট্ট পাঠকরা।

বইমেলাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ভাষা ও সাহিত্যের এই মহোৎসব আবারও প্রমাণ করল, বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অমর একুশে বইমেলার দ্বার উন্মোচন,  বহুমাত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা

আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা

বহুমাত্রিক বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে হৃদয়ে ধারণ করে  ঢাকায় শুরু হলো প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গেই উন্মুক্ত হয়ে যায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের  মেলার দুয়ার।

বই আর বাঙালির আত্মার বন্ধনকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে এবার মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে প্রাঙ্গণ, তবে রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। মোট ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৮টি।

উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে রয়েছে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল, যেখানে নবীন চিন্তার সৃজনশীল ঢেউ বইবে প্রতিদিন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো শিশু চত্বরে রয়েছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান।

প্রতিদিন বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আর প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর, যেখানে গল্প, ছড়া আর আনন্দে মুখর হবে ছোট্ট পাঠকরা।

বইমেলাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ভাষা ও সাহিত্যের এই মহোৎসব আবারও প্রমাণ করল, বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা।