ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

অবিক্রিতই থাকলো হাজারো গরু

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১ ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

করোনা মহামারিতেও ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে বিপুল পরিমাণের কোরবানির পশুর আমদানি হয়েছিলো। কিন্তু তার একটা বড় অংশ অবিক্রিত থেকে গিয়েছে। ভালো দামের আশায় উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া করে এসব গরু নিয়ে আসেন। কিন্তু কাঙ্খিত দাম না পেয়ে ঈদের দিন হাজার হাজার গরু ফেরত নিয়ে যান।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুই তিন বছর ধরে গরুগুলো লালন পালনে যে পরিমাণ ব্যয় হয়েছে, তার অর্ধেকও দামও ওঠেনি এবারে।

কোরবানির হাট থেকে এবারেই যে গরু ফেরত গেল তা কিন্তু নয়। স্বাভাবিক সময়েও গরুর দাম না ওঠায় ব্যবসায়ীরা গরু ফেরত নিয়ে গিয়েছে।

প্রায় ১৬ মাসের অধিক বিশ্বমহামারি চলছে। একারণে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়াটা স্বাভাবিক। বহু মানুষের কর্মহীন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের চাকা প্রায় স্থবির। ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব কারণে একক কোরবানির সংখ্যা কমেছে।

বহু মানুষ দুই কোরবানির ঈদে শরিকে কোরবানি দিতে বাধ্য হয়েছেন। এসব প্রভাবে বাজার মন্দা। অনেকে পূঁজির অভাবে ব্যবসায় পরিচালনা পর্যন্ত করতে পারছে না।

অপর দিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকারী উদ্যোগে ২৪১টি ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করা হয়। এসব হাটে ২২৫ কোটি টাকার বেশি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। এরও প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটে।

ফলে দাম ও ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি হয়নি হাজার হাজার পশু। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় থেকেও বিক্রি করতে পারেননি সিংহভাগ গরু। ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু উত্তরবঙ্গের অন্তত ১০ হাজার গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে।

ঈদের দিন সকাল থেকে মহাসড়কে শত শত ট্রাক-পিকআপে হাজারো গরু ফেরত নিয়ে যেতে দেখা গেছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজারো পশু ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে তোলেন। বিক্রি না হওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবিক্রিতই থাকলো হাজারো গরু

আপডেট সময় : ১০:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জুলাই ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

করোনা মহামারিতেও ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে বিপুল পরিমাণের কোরবানির পশুর আমদানি হয়েছিলো। কিন্তু তার একটা বড় অংশ অবিক্রিত থেকে গিয়েছে। ভালো দামের আশায় উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া করে এসব গরু নিয়ে আসেন। কিন্তু কাঙ্খিত দাম না পেয়ে ঈদের দিন হাজার হাজার গরু ফেরত নিয়ে যান।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুই তিন বছর ধরে গরুগুলো লালন পালনে যে পরিমাণ ব্যয় হয়েছে, তার অর্ধেকও দামও ওঠেনি এবারে।

কোরবানির হাট থেকে এবারেই যে গরু ফেরত গেল তা কিন্তু নয়। স্বাভাবিক সময়েও গরুর দাম না ওঠায় ব্যবসায়ীরা গরু ফেরত নিয়ে গিয়েছে।

প্রায় ১৬ মাসের অধিক বিশ্বমহামারি চলছে। একারণে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়াটা স্বাভাবিক। বহু মানুষের কর্মহীন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের চাকা প্রায় স্থবির। ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব কারণে একক কোরবানির সংখ্যা কমেছে।

বহু মানুষ দুই কোরবানির ঈদে শরিকে কোরবানি দিতে বাধ্য হয়েছেন। এসব প্রভাবে বাজার মন্দা। অনেকে পূঁজির অভাবে ব্যবসায় পরিচালনা পর্যন্ত করতে পারছে না।

অপর দিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকারী উদ্যোগে ২৪১টি ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করা হয়। এসব হাটে ২২৫ কোটি টাকার বেশি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। এরও প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটে।

ফলে দাম ও ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি হয়নি হাজার হাজার পশু। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় থেকেও বিক্রি করতে পারেননি সিংহভাগ গরু। ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু উত্তরবঙ্গের অন্তত ১০ হাজার গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে।

ঈদের দিন সকাল থেকে মহাসড়কে শত শত ট্রাক-পিকআপে হাজারো গরু ফেরত নিয়ে যেতে দেখা গেছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজারো পশু ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে তোলেন। বিক্রি না হওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।