ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

২৯টি উপজেলায় মাছের চাষে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘মাছ চাষে বিপ্লব ঘটাতে দেশের ৮টি বিভাগের ২৯টি উপজেলায় ক্লাইমেট স্মার্ট মৎস্যচাষ প্রযুক্তি প্রবর্তনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সম্পদ মন্ত্রক’

‘২০২১ সালের মধ্যে ৪৫ দশমিক ৫২ লাখ টন মাছ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাজারে যে মাছ মিলছে, তার অধিকাংশই চাষের। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মাছ চাষের সম্প্রসারিত হলেও নানা কারণে তা প্রয়োগ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।’

সরকার মাছের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগে লক্ষ্যে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজম্যান্ট’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। মৎস্য অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

এই প্রকল্পের আওতায় মাছ চাষে বিপ্লব ঘটাতে দেশের ৮টি বিভাগের ২৯টি উপজেলায় ক্লাইমেট স্মার্ট মৎস্যচাষ প্রযুক্তি প্রবর্তনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সম্পদ মন্ত্রক।

সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ব্যায় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সরকারের তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা আইডিএ থেকে ঋণ সহায়তা ৮৫ কোটি টাকা।

জানা গিয়েছে, ব্যবসাবান্ধব সাপ্লাই চেইন এবং বাজার নেটওয়ার্ক প্রসারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো হবে। এতে করে স্টেকহোল্ডারদের জীবিকায়নের মানোন্নয়নসহ টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রকল্পটি ২০২১-২২ অর্থবছরে এডিপি’তে বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির নিমিত্তে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় ছিল। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে

অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ১৪৫টি বিল নার্সারি, ৪৯টি মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন, ১৯৪টি পুকুর ও জলাশয় পুনঃখনন করা হবে। ১৪৫টি মৎস্য-বান্ধব ফিশিং নেট সরবরাহ করা হবে। ১ হাজার ৯৫০টি বিভিন্ন ধরনের মৎস্য চাষ প্রযুক্তির প্রদর্শনী খামার, ২৯টি

শুঁটকি প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। সাপ্লাই চেইন উন্নয়নের জন্য বরফ সুবিধাসহ ৫৮টি ইনসুলেটেড ভ্যান সরবরাহ করা হবে।

মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের ভ্যালু চেইন উন্নয়নে ১৪টি মিনি প্রসেসিং ইউনিট নির্মাণ ও ফিশ প্রসেসিং যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। ৬০০ জন দরিদ্র মৎস্যচাষীকে বিকল্প কর্মসংস্থান কার্যক্রমে সহায়তাসহ প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রের খবর, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলায় বিদ্যমান জনশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন, বিকল্প কর্মসংস্থান, সাপ্লাই চেইন উন্নয়ন ও ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে প্রকল্পটি ৮ম

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রকল্পটি চলতি জুলাই ২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২৯টি উপজেলায় মাছের চাষে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

‘মাছ চাষে বিপ্লব ঘটাতে দেশের ৮টি বিভাগের ২৯টি উপজেলায় ক্লাইমেট স্মার্ট মৎস্যচাষ প্রযুক্তি প্রবর্তনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সম্পদ মন্ত্রক’

‘২০২১ সালের মধ্যে ৪৫ দশমিক ৫২ লাখ টন মাছ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাজারে যে মাছ মিলছে, তার অধিকাংশই চাষের। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মাছ চাষের সম্প্রসারিত হলেও নানা কারণে তা প্রয়োগ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।’

সরকার মাছের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগে লক্ষ্যে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজম্যান্ট’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। মৎস্য অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

এই প্রকল্পের আওতায় মাছ চাষে বিপ্লব ঘটাতে দেশের ৮টি বিভাগের ২৯টি উপজেলায় ক্লাইমেট স্মার্ট মৎস্যচাষ প্রযুক্তি প্রবর্তনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০৬ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সম্পদ মন্ত্রক।

সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ব্যায় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সরকারের তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা আইডিএ থেকে ঋণ সহায়তা ৮৫ কোটি টাকা।

জানা গিয়েছে, ব্যবসাবান্ধব সাপ্লাই চেইন এবং বাজার নেটওয়ার্ক প্রসারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো হবে। এতে করে স্টেকহোল্ডারদের জীবিকায়নের মানোন্নয়নসহ টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রকল্পটি ২০২১-২২ অর্থবছরে এডিপি’তে বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির নিমিত্তে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় ছিল। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে

অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ১৪৫টি বিল নার্সারি, ৪৯টি মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন, ১৯৪টি পুকুর ও জলাশয় পুনঃখনন করা হবে। ১৪৫টি মৎস্য-বান্ধব ফিশিং নেট সরবরাহ করা হবে। ১ হাজার ৯৫০টি বিভিন্ন ধরনের মৎস্য চাষ প্রযুক্তির প্রদর্শনী খামার, ২৯টি

শুঁটকি প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। সাপ্লাই চেইন উন্নয়নের জন্য বরফ সুবিধাসহ ৫৮টি ইনসুলেটেড ভ্যান সরবরাহ করা হবে।

মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের ভ্যালু চেইন উন্নয়নে ১৪টি মিনি প্রসেসিং ইউনিট নির্মাণ ও ফিশ প্রসেসিং যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। ৬০০ জন দরিদ্র মৎস্যচাষীকে বিকল্প কর্মসংস্থান কার্যক্রমে সহায়তাসহ প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রের খবর, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলায় বিদ্যমান জনশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন, বিকল্প কর্মসংস্থান, সাপ্লাই চেইন উন্নয়ন ও ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে প্রকল্পটি ৮ম

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রকল্পটি চলতি জুলাই ২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবার কথা রয়েছে।