ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমানকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়া সেই মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার, যেখানে এক ফোঁটা অশ্রুতে লুকিয়ে আছে হারানো সন্তানের নাম, রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি আর শেষ না হওয়া অপেক্ষার গল্প : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জীবন থেকে হাসি-আনন্দ যেন নির্বাসিত। প্রতিটি ঘরে ঘরে শুধু অপেক্ষা, শূন্যতা আর দীর্ঘশ্বাস। কারো বুক খালি করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সন্তান, কারো স্বামী, কারো ভাই-আবার কারো পুরো সংসারের বাতি নিভে গেছে এক নিমিষেই। একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের এমন ফ্রি-স্টাইল গুম ও হত্যাকাণ্ড কোন সভ্যতার পথে নিয়ে যায়, তা আজও অজানা। তবে এটুকু নিশ্চিত-স্বাধীন দেশের বিবেকবান মানুষ এমন নির্মমতাকে কখনো সমর্থন করতে পারে না।

শনিবারের সেই মতবিনিময় সভাটি তাই আর পাঁচটা রাজনৈতিক আয়োজনের মতো ছিল না। কান্নাকে সঙ্গী করেই অনেকেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন। সভার কেন্দ্রে ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু মঞ্চের সামনে বসে থাকা মানুষগুলোর মুখে কোনো হাসি ছিল না, ছিল শুধু ভাঙা চোখ, জমে থাকা অশ্রু আর অসহায় আর্তনাদ। গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর কণ্ঠে কণ্ঠে উঠে আসছিল নির্যাতনের ভয়াল স্মৃতি, না বলা হাজারো রাতের গল্প।

একজন মা কাঁপা গলায় বলছিলেন হারিয়ে যাওয়া ছেলের কথা, একজন স্ত্রী শূন্য চোখে তাকিয়ে ছিলেন ভবিষ্যতের দিকে। সেই যন্ত্রণার কথা শুনতে শুনতে নিজেকেও আর ধরে রাখতে পারেননি তারেক রহমান। চোখ ভিজে উঠেছিল তাঁরও। রাজনীতির ভাষা সেখানে হার মেনেছিল মানবিকতার কাছে। সেই সভা হয়ে উঠেছিল নিঃশব্দ কান্নার এক মানবিক দলিল—যেখানে প্রতিটি অশ্রু ছিল ন্যায়বিচারের দাবিতে উচ্চারিত একেকটি প্রশ্ন।

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার
সন্তানহারা মাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

গুম, খুন, নির্যাতন যাদের জীবনে নেমে এসেছে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের দীর্ঘ ছায়া, সেই মানুষগুলোর চোখের দিকে তাকিয়েই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বললেন, প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগামী দিনে বাংলাদেশে অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক সরকার দরকার।

এদিন ঢাকার শেরেবাংলা নগরের চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

সভাটির আয়োজন করে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক দুটি সংগঠন, যারা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ও নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তারেক রহমান বলেন, যদি আবারও আমরা একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের সুযোগ হাতছাড়া করি, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক ব্যর্থতা হবে না, এটি হবে আমাদের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।

তিনি স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের, বিগত ১৬ বছরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার মানুষদের এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলনে নিহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করা অসংখ্য মানুষের কথা।

তারেক রহমানের ভাষায়, এই প্রতিটি আত্মত্যাগের প্রতি ন্যায্য সম্মান জানাতে হলে, প্রতিটি অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করতে হলে গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আজ এখানে এসেছেন বুকভরা কষ্ট নিয়ে।

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার
সন্তানহারা এক বাবাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

আপনাদের সন্তান, স্বজনদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, দেশের আইন অনুযায়ী তার বিচার পাওয়ার একমাত্র পথ হলো, বাংলাদেশে একটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তারেক রহমান বলেন, সেই সরকার হবে এমন, যে সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে, যে সরকার নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়ের ভিত্তিতে বিচার নিশ্চিত করবে।

সভায় তিনি সবাইকে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের এই উপস্থিতি যেন বৃথা না যায়। ধৈর্যের সঙ্গে, দৃঢ়তার সঙ্গে আমরা কাজ করব, যাতে আপনাদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার হয়, আপনারা ন্যায়ের ন্যায্যতা পান। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে।

স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের সামনে আজ একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ এসেছে। কিন্তু কেউ কেউ নানা অজুহাতে বিতর্ক তৈরি করে এই গণতান্ত্রিক পথকে ব্যাহত করতে চাইছে। এ সময় তিনি দল-মত নির্বিশেষে সব গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

যারা নানা উসিলায় গণতন্ত্রের পথ আবার নষ্ট করার চেষ্টা করছে, তারা যেন সফল না হয়, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, বলেন তারেক রহমান। শোক, ক্ষোভ আর প্রত্যাশার আবহে এই মতবিনিময় সভা যেন আবারও সামনে এনে দিল বাংলাদেশের রাজনীতির মূল প্রশ্ন-ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র কি একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার

আপডেট সময় : ০৫:৪২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

জীবন থেকে হাসি-আনন্দ যেন নির্বাসিত। প্রতিটি ঘরে ঘরে শুধু অপেক্ষা, শূন্যতা আর দীর্ঘশ্বাস। কারো বুক খালি করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সন্তান, কারো স্বামী, কারো ভাই-আবার কারো পুরো সংসারের বাতি নিভে গেছে এক নিমিষেই। একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের এমন ফ্রি-স্টাইল গুম ও হত্যাকাণ্ড কোন সভ্যতার পথে নিয়ে যায়, তা আজও অজানা। তবে এটুকু নিশ্চিত-স্বাধীন দেশের বিবেকবান মানুষ এমন নির্মমতাকে কখনো সমর্থন করতে পারে না।

শনিবারের সেই মতবিনিময় সভাটি তাই আর পাঁচটা রাজনৈতিক আয়োজনের মতো ছিল না। কান্নাকে সঙ্গী করেই অনেকেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন। সভার কেন্দ্রে ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু মঞ্চের সামনে বসে থাকা মানুষগুলোর মুখে কোনো হাসি ছিল না, ছিল শুধু ভাঙা চোখ, জমে থাকা অশ্রু আর অসহায় আর্তনাদ। গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর কণ্ঠে কণ্ঠে উঠে আসছিল নির্যাতনের ভয়াল স্মৃতি, না বলা হাজারো রাতের গল্প।

একজন মা কাঁপা গলায় বলছিলেন হারিয়ে যাওয়া ছেলের কথা, একজন স্ত্রী শূন্য চোখে তাকিয়ে ছিলেন ভবিষ্যতের দিকে। সেই যন্ত্রণার কথা শুনতে শুনতে নিজেকেও আর ধরে রাখতে পারেননি তারেক রহমান। চোখ ভিজে উঠেছিল তাঁরও। রাজনীতির ভাষা সেখানে হার মেনেছিল মানবিকতার কাছে। সেই সভা হয়ে উঠেছিল নিঃশব্দ কান্নার এক মানবিক দলিল—যেখানে প্রতিটি অশ্রু ছিল ন্যায়বিচারের দাবিতে উচ্চারিত একেকটি প্রশ্ন।

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার
সন্তানহারা মাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

গুম, খুন, নির্যাতন যাদের জীবনে নেমে এসেছে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের দীর্ঘ ছায়া, সেই মানুষগুলোর চোখের দিকে তাকিয়েই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বললেন, প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগামী দিনে বাংলাদেশে অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক সরকার দরকার।

এদিন ঢাকার শেরেবাংলা নগরের চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

সভাটির আয়োজন করে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক দুটি সংগঠন, যারা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ও নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তারেক রহমান বলেন, যদি আবারও আমরা একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের সুযোগ হাতছাড়া করি, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক ব্যর্থতা হবে না, এটি হবে আমাদের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।

তিনি স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের, বিগত ১৬ বছরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার মানুষদের এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলনে নিহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করা অসংখ্য মানুষের কথা।

তারেক রহমানের ভাষায়, এই প্রতিটি আত্মত্যাগের প্রতি ন্যায্য সম্মান জানাতে হলে, প্রতিটি অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করতে হলে গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আজ এখানে এসেছেন বুকভরা কষ্ট নিয়ে।

সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার
সন্তানহারা এক বাবাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

আপনাদের সন্তান, স্বজনদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, দেশের আইন অনুযায়ী তার বিচার পাওয়ার একমাত্র পথ হলো, বাংলাদেশে একটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তারেক রহমান বলেন, সেই সরকার হবে এমন, যে সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে, যে সরকার নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়ের ভিত্তিতে বিচার নিশ্চিত করবে।

সভায় তিনি সবাইকে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের এই উপস্থিতি যেন বৃথা না যায়। ধৈর্যের সঙ্গে, দৃঢ়তার সঙ্গে আমরা কাজ করব, যাতে আপনাদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার হয়, আপনারা ন্যায়ের ন্যায্যতা পান। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে।

স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের সামনে আজ একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ এসেছে। কিন্তু কেউ কেউ নানা অজুহাতে বিতর্ক তৈরি করে এই গণতান্ত্রিক পথকে ব্যাহত করতে চাইছে। এ সময় তিনি দল-মত নির্বিশেষে সব গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

যারা নানা উসিলায় গণতন্ত্রের পথ আবার নষ্ট করার চেষ্টা করছে, তারা যেন সফল না হয়, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, বলেন তারেক রহমান। শোক, ক্ষোভ আর প্রত্যাশার আবহে এই মতবিনিময় সভা যেন আবারও সামনে এনে দিল বাংলাদেশের রাজনীতির মূল প্রশ্ন-ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র কি একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠতে পারবে।