রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে
ছবি ভারতীয় হাইকমিশন
‘বাংলাদেশের বিজয়ের ১০ দিন আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো ভারত, দিনটি মৈত্রী দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে’
উনিশ একাত্তর সালে ন’মাসের দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতার যুদ্ধচলাকালীন ‘বাংলাদেশের বিজয়ের ১০
দিন আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো ভারত। স্মরণীয় এই দিনটি
ঘিরে পালিত হয়ে আসছে মৈত্রী দিবস। পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাধীনতাযুদ্ধে বিজয়ের মাত্র ১০ দিন
আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। দিনটি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব
দিবস (মৈত্রী দিবস) হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সঙ্গে
দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যেও অন্যতম ভারত। প্রতি
বছরের ন্যায় ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবসকে ঘিরে এবারে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার স্বাধীনতাযুদ্ধের
বীরসেনানীদের অবদানকে স্মরণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর

পর্যন্ত উদযাপন করা হয় মৈত্রী সপ্তাহ। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন মৈত্রী সপ্তাহ উদযাপনের
অংশ হিসেবে ১৯৭১ সালে মুক্তির পথ এবং বিজয়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণে আইজিসিসিতে
একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি
বিজয়ের শেষভাগের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো বর্ণনা করেন। এ বছর ঢাকা ও দিল্লি ছাড়াও বিশ্বের
১৮টি দেশে ৬ ডিসেম্বর উদযাপিত হবে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস।





















