ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

বৈশাখে হাজারো বছরের লোকজ ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে আনন্দ যাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫ ৪২২ বার পড়া হয়েছে

বৈশাখে হাজারো বছরের লোকজ ইতিহাস সঙ্গী করে আনন্দ যাত্রা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ। এই ৫টি পটচিত্রের দৈর্ঘ ১০০ ফুট। পটচিত্রগুলো ইতিহাস সমৃদ্ধ। এবারের পহেলা বৈশাখে এসব পটচিত্রগুলো মঙ্গল তথা আনন্দ যাত্রাকে আরো রঙিন করে তুলবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে রাত-দিন একাকার করে আনন্দ যাত্রার উপকরণ তৈরি করা হচ্ছে। হাতে একদম সময় নেই। কারো কথা উত্তর দেবার ফুসরত নেই শিল্পীদের। সবাই মগ্ন বৈশাখী উপটকরণ তৈরির কাজে।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

পটচিত্র ঘিরে চারুকলায় আসা হাজারো দর্শনার্থীর জটলা। মনযোগ সহকারে অনেকেই ছবি তুলতে ব্যস্ত। এরই মাঝে অল্প সময়ের জন্য কথা বলতে রাজি হলেন শিল্প নাজির আহমেদ। জানালেন, পটচিত্রের ইতিহাস। বাংলাদেশের পটচিত্রের বিষয়ে নাজির আহমেদ জানান, আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, মুক্তিযুক্ত এবং সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত ইতিহাস স্থান পেয়েছে।

বাংলা নববর্ষে এবারেই প্রথম দেশের পাহাড়ি ও সমতলের ২৮ জাতিগোষ্ঠীর ৪২৬ জন শিল্পী অংশ নেবেন। এরমধ্যে ম্রো, মারমা, লুসাই, বম, খিয়াং, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, রাজোয়াড়, সাঁওতাল, মাহালী, কোল, মালপাহাড়িয়া, হাজংসহ একাধিক জাতিগোষ্ঠী রয়েছে।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখে আনন্দ শোভাযাত্রার মোটিফে জাতীয় প্রতীক বাঘ, ইলিশ মাছের পাশাপাশি থাকছে জুলাইয়ের ছাপ। মোটিফে স্থান পাবে ফ্যাসিবাদের ভয়াল মুখাকৃতি ও মুগ্ধের পানির বোতল।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার উপ-কমিটির সদস্য-সচিব অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান এবছরের শোভাযাত্রায় বড় সাতটি মোটিফ থাকবে। এরমধ্যে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, কাঠের বাঘ, ইলিশ মাছ, শান্তির পায়রা, পালকি, মুগ্ধের পানির বোতল এবং তরমুজের ফালি রয়েছে।

মাঝারি মোটিফগুলোর মধ্যে সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, রঙিন চরকি, তালপাতার সেপাই, তুহিন পাখি, পাখা, ঘোড়া ও লোকজ চিত্রাবলির ক্যানভাস । ছোট মোটিফগুলোর মধ্যে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি থাকবে, বাঘের মাথা, পলো, মাছের চাই, মাথাল, লাঙলল এবং মাছের ডোলা থাকবে ।

ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মুসলমানদের লড়াই সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তরমুজের ফালি মোটিফ হিসেবে রাখা হয়েছে। তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে প্রতিরোধ ও অধ্যাবসায়ের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, এবারের শোভাযাত্রা চারুকলা অনুষদ থেকে শাহবাগ হয়ে রাজু ভাস্কর্য, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় চারুকলায় ফিরে আসবে।

শোভাযাত্রার দিন ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের শাহবাগ ও টিএসসি স্টেশন বন্ধ থাকবে। এই সময়ে এই দুই স্টেশন দিয়ে কোনো যাত্রী উঠতে বা বের হতে পারবেন না।

বাংলামোটর, বারডেম এবং মৎস্য ভবন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে সড়ক ব্লক থাকবে। শোভাযাত্রা শুরুর পর সাধারণ জনগণ এসব স্থান দিয়ে শোভাযাত্রায় যোগ দিতে পারবেন। র‌্যালির সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা কালিমন্দির, রাজু ভাস্কর্যের পেছনে ও ছবির হাটের গেট বন্ধ থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বৈশাখে হাজারো বছরের লোকজ ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে আনন্দ যাত্রা

আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ। এই ৫টি পটচিত্রের দৈর্ঘ ১০০ ফুট। পটচিত্রগুলো ইতিহাস সমৃদ্ধ। এবারের পহেলা বৈশাখে এসব পটচিত্রগুলো মঙ্গল তথা আনন্দ যাত্রাকে আরো রঙিন করে তুলবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে রাত-দিন একাকার করে আনন্দ যাত্রার উপকরণ তৈরি করা হচ্ছে। হাতে একদম সময় নেই। কারো কথা উত্তর দেবার ফুসরত নেই শিল্পীদের। সবাই মগ্ন বৈশাখী উপটকরণ তৈরির কাজে।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

পটচিত্র ঘিরে চারুকলায় আসা হাজারো দর্শনার্থীর জটলা। মনযোগ সহকারে অনেকেই ছবি তুলতে ব্যস্ত। এরই মাঝে অল্প সময়ের জন্য কথা বলতে রাজি হলেন শিল্প নাজির আহমেদ। জানালেন, পটচিত্রের ইতিহাস। বাংলাদেশের পটচিত্রের বিষয়ে নাজির আহমেদ জানান, আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, মুক্তিযুক্ত এবং সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত ইতিহাস স্থান পেয়েছে।

বাংলা নববর্ষে এবারেই প্রথম দেশের পাহাড়ি ও সমতলের ২৮ জাতিগোষ্ঠীর ৪২৬ জন শিল্পী অংশ নেবেন। এরমধ্যে ম্রো, মারমা, লুসাই, বম, খিয়াং, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, রাজোয়াড়, সাঁওতাল, মাহালী, কোল, মালপাহাড়িয়া, হাজংসহ একাধিক জাতিগোষ্ঠী রয়েছে।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখে আনন্দ শোভাযাত্রার মোটিফে জাতীয় প্রতীক বাঘ, ইলিশ মাছের পাশাপাশি থাকছে জুলাইয়ের ছাপ। মোটিফে স্থান পাবে ফ্যাসিবাদের ভয়াল মুখাকৃতি ও মুগ্ধের পানির বোতল।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার উপ-কমিটির সদস্য-সচিব অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান এবছরের শোভাযাত্রায় বড় সাতটি মোটিফ থাকবে। এরমধ্যে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, কাঠের বাঘ, ইলিশ মাছ, শান্তির পায়রা, পালকি, মুগ্ধের পানির বোতল এবং তরমুজের ফালি রয়েছে।

মাঝারি মোটিফগুলোর মধ্যে সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, রঙিন চরকি, তালপাতার সেপাই, তুহিন পাখি, পাখা, ঘোড়া ও লোকজ চিত্রাবলির ক্যানভাস । ছোট মোটিফগুলোর মধ্যে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি থাকবে, বাঘের মাথা, পলো, মাছের চাই, মাথাল, লাঙলল এবং মাছের ডোলা থাকবে ।

ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মুসলমানদের লড়াই সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তরমুজের ফালি মোটিফ হিসেবে রাখা হয়েছে। তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে প্রতিরোধ ও অধ্যাবসায়ের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।
বাংলার পটচিত্রের ইতিহাস হাজারো বছরের। পহেলা বৈশাখ তথা বাংলানববর্ষের প্রবর্তক মহামতি আকবর, গাজীরপট, বনোবিবি, বেহুলা আর বাংলাদেশ।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, এবারের শোভাযাত্রা চারুকলা অনুষদ থেকে শাহবাগ হয়ে রাজু ভাস্কর্য, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় চারুকলায় ফিরে আসবে।

শোভাযাত্রার দিন ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের শাহবাগ ও টিএসসি স্টেশন বন্ধ থাকবে। এই সময়ে এই দুই স্টেশন দিয়ে কোনো যাত্রী উঠতে বা বের হতে পারবেন না।

বাংলামোটর, বারডেম এবং মৎস্য ভবন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে সড়ক ব্লক থাকবে। শোভাযাত্রা শুরুর পর সাধারণ জনগণ এসব স্থান দিয়ে শোভাযাত্রায় যোগ দিতে পারবেন। র‌্যালির সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা কালিমন্দির, রাজু ভাস্কর্যের পেছনে ও ছবির হাটের গেট বন্ধ থাকবে।