বাংলাদেশ-ওমানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যপণ্য বহুমুখীকরণের সুযোগ রয়েছে ড. মোমেন
- আপডেট সময় : ০২:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩১১ বার পড়া হয়েছে
ড. এ কে আব্দুল মোমেন ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ও ওমানের পারস্পরিক স্বার্থে বাণিজ্যে সবোর্চ্চ সুবিধা লাভে দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) অথবা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের (এফটিএ) সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। গত দশকে
বাংলাদেশ-ওমানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বেড়েছে জানিয়েছে, ড. মোমেন বলেন, এটাই খুবই সামান্য। আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানো ও বাণিজ্য পণ্য বহুমুখীকরণের অনেক সুযোগ রয়েছে।
মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উৎযাপন উপলক্ষে রবিবার ‘বাংলাদেশ ওমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য: চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ’ শীষর্ক এক ওয়েবিনারে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মেমেন এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের এক সংবাদ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক, সিরামিক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মৎস্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মতো আন্তর্জাতিকমানের পন্য ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্রসহ
বিশ্বের অন্যান্য দেশে রফতানি হচ্ছে। আমাদের দেশের ব্যবসায়িরা আরও অধিক প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে অধিকাংশ পণ্য ওমানে রফতানি করার ব্যাপারে আশাবাদী।
ড. মোমেন বলেন, আমরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের মতো বিভিন্ন সেক্টরে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজে বের করতে
অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করবো। ড. মোমেন বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারনের জন্য প্রয়োজন দু’দেশের বেসরকারি সেক্টর ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা । এ জন্য আমাদের
প্রয়োজন বি-টু-বি আলোচনা ও দু’দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সফর বিনিময় করা প্রয়োজন।
ড. মোমেন বাংলাদেশের ব্যবসাবন্ধব পরিবেশের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে ওমানের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহবান জানান। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘ওমান ঢাকাসহ সারাদেশে
হাইটেক পার্কে হোটেল, আবাসিক ও শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। ড. মোমেন ব্লুইকনোমি, জাহাজ ভাঙ শিল্প, জ্বালানি ও বিদ্যৎ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হলে তাদের
ভূমি বরাদ্দের আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে ওমানের বিদেশ মন্ত্রকের কূটনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি শেখ খলিফা আলহার্থিও বক্তব্য রাখেন।



















