বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতে যায়
- আপডেট সময় : ০৭:৪০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
আমিনুল হক, ঢাকা
বাংলাদেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। তাতে তাদের কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়ে থাকে। গরিব রোগীদের অপ্রয়োজনীয় ১৪-১৫টি টেস্ট দেওয়ার হয়ে থাকে।
নির্দিষ্ট ওষুধ কিনতে হবে, কেন? চিকিৎসকরা কি ওষুধ কোম্পানির দালাল? পৃথিবীতে কোন জায়গায় প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তারকে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির জন্য নির্দিষ্ট সময় দিয়ে থাকেন? বাংলাদেশের বড় বড় হাসপাতালের ডাক্তাররা কি ওষুধ কোম্পানির মধ্যসত্ত্বভোগী? আপনারা নিজেদের কোন জায়গায় নামান! টেস্টের রেজাল্ট ভুল।
নার্সদের ব্যবহার খারাপ। নার্স-কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে থাকেন, ভালো সেবা দিতে চায় না। শনিবার ঢাকায় বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিয়ে একথা বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ ছাড়াও বাংলাদেশের গ্রামে চাষাবাস এবং অন্যান্য কাজ কওে থাকেন এমন ব্যক্তিরাও চিকিসা নিতে ভারতে যান। চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশিদের পছন্দের শীর্ষ স্থান ভারত। অথচ এই খাতে ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের একটা বাজার রয়েছে।
প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের প্রতি অনেকটা ভৎর্সনার সুরেই বলেন, যেসব মানুষ কখনও ঢাকায় আসেনি তারাই চিকিৎসা নিতে ভারত, ব্যাংককে যাচ্ছেন। তারা খুবই বিরক্ত এবং নিরূপায় হয়ে দেশ ছেড়ে চিকিৎসা নিতে যান। দেশের চিকিৎসাখাতের বিশাল বাজার আপনারা নিতে পারেন না? কেন মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চায়? সঠিক সেবা পেলে বিদেশে যাবার দরজা বন্ধ হবে।
২০২৩ সালে ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের হেলথ কমিটির চেয়ারম্যান ও চার্নক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত শার্মা এই তথ্য জানিয়ে বলেন, চিকিৎসাখাতে বাংলাদেশ আকর্ষণীয় স্থান মনে করেন ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা। তিনি বলেন, বছরে ২৪ লাখ ৭০ হাজার মেডিকেল ট্যুরিস্ট বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষাণা এসেছে। উপদেষ্ট বলেন, অনেক চিকিৎসক অনর্থক টেস্ট দেন।
আমার বাসার হেল্পিং হ্যান্ড, গরিব ছেলে, ঢাকার একটি হাসপাতালে ১৪টি টেস্ট দিয়েছে। সে রাগ করে বাড়ি চলে গেছে। সেখান থেকে টেস্ট ছাড়া ভালো হয়ে ফেরত এসেছে। ওখানে তার পরিচিত ডাক্তার ছিল। এই অত্যাচার বন্ধ হয় নাই।




















