বাংলাদেশের ইলিশ মিলছে বারো মাস
- আপডেট সময় : ০৮:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩ ২৭০ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে এখন বারো মাসই ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এককেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি ১৫ টাকা। ৬০০ গ্রাম ৮ থেকে ৯০০ টাকা কেজি। রমজানের কারণে মাছের দর চড়া।
গত কয়েক বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টনে। এবারের ইলিশের উৎপাদন ৬ লাখ মেট্রিক টন। এলক্ষ্যে কাজ করছে হাসিনা সরকার। গবেষণা, মা ইলিশ রক্ষা এবং জাটকা সংরক্ষণে জোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
ফলে এখন আর মৌসুমের দিকে তাকিয়ে থাকছে হচ্ছে না। বারো মাসই ইলিশ মিলছে বাংলাদেশের হাটবাজারে। অথচ ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে যেখানে ইলিশের উৎপাদন ছিল মাত্র ২ লাখ ৯৮ হাজার মেট্রিক টন, সেখানে বর্তমান উৎপাদন ৫ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন। আর এখন হাত বাড়ালেই মিলছে সুস্বাদু ইলিশ।
বাংলাদেশের প্রধান ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তারা। সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীদের সচেতনতা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আগামীতে ইলিশের উৎপাদন ৬ লাখ মেট্রিক টনে পৌছাবে বলে আশা করেন।
ইলিশের উৎপাদন রক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যেতে প্রথম বারের মতো ঢাকার বাইরে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পিরোজপুরে স্থানীয় জেলে, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসীকে নিয়ে মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নদীতে ২ শতাধীক বাহারি নৌকার ৩ কিলোমিটার নৌ-র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নানা পদক্ষেপের অংশ হিসাবে শনিবার জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৩ এর উদ্বোধন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আর্জন করছে।
মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘মা ইলিশ ও জাটকা ইলিশ ধরবেন না। এ সব মাছই আগামী দিনের সম্পদ। একটি মা ইলিশ একবারে ৬ লাখ ডিম দেয়।



















