ন’মাসে ট্রেনে ১১০টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে :রেলপথ মন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১ ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে
সংগৃহীত ছবি
পাথর নিপেক্ষের স্থানগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা’
চলতি বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১০টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৯ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি রেলের ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। রবিবার রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে
আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রেলপথ মন্ত্রী বলেন, পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় বিভিন্ন ট্রেনের ১০৩টি জানালা ভেঙ্গেছে।
আহত হয়েছেন ২৯ জন। যে জায়গাগুলো থেকে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিলো সেই স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড, ফেনীর
ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা। পাশাপাশি পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার ১৫টি এলাকার মধ্যে রয়েছে, চুয়াডাঙ্গা আউটার, নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে
স্টেশন, সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার মুলাডুলি রেলওয়ে স্টেশন, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার কিসমত-রুহিয়া,
পাবনার ভাঙ্গুরা রেলওয়ে স্টেশন, বগুড়ার ভেলুরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন, গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে
স্টেশন, সলপ রেলওয়ে স্টেশন, জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার বড়ালব্রিজ রেলওয়ে স্টেশন এবং খুলনার ফুলতলা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা।
এসময় রেলমন্ত্রী বলেন, ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল এই উপমহাদেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর পর থেকে কোনো না কোনো জায়গায় দুষ্কৃতিকারীরা চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে আসছে।
বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম না। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে এটি একটি সমস্যায় পরিণত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের হার বেড়েছে এবং ট্রেনের গার্ড, কর্মচারী ও যাত্রীরা আহত হয়েছেন। চোখ হারিয়েছেন এবং মারা যাবার ঘটনাও ঘটেছে। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই।





















