দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করার আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি আন্তরিকতার অভাব ও সচেতনতার অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি আয় বৈষম্য দুরীকরণে উদ্যোগ নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমন্ডির উইমেন্স ভলান্টারি এসোসিয়েশন (ডব্লিউভিএ) মিলনায়তনে বিকাশ সহায়ক সংস্থা (জিবিএসএস) আয়োজিত আয়োজিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার বাস্তবায়নে সিপিডিআরআই প্রকল্পের আওতায় শিখণ কর্মশালা কর্মশালায় এ আহ্বান জানানো হয়। জিবিএসএস চেয়ারম্যান সাজেদা বানুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তৃতা করেন জিবিএসএস’র নির্বাহী পরিচালক মাসুদা ফারুক রত্না। প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন জিবিএসএস’র হেড অব প্রোগ্রাম মেহেদী হাসান কিংশুক।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি এধরনের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সকল ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত সরকার। এধরনের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সরকারের দায়িত্ব। শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পরিচর্যাই নয়, বরং তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কিভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালক (প্রোগ্রাম) মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খান বলেন, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে ও তাদের সুস্থ্যভাবে বাঁচতে কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির অংশ হিসেবে জিবিএসএস বাস্তবায়িত সিপিডিআরআই প্রকল্প একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
সমাজ সেবা কর্মকর্তা জান্নাতুল হক শাপলা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি, তার উপর যদি আবার নারী প্রতিবন্ধী হয় তাহলে আরো বেশি অবহেলিত ও বঞ্চনার শিকার হন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারী প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সুইড বাংলাদেশের সেক্রেটারী মাহবুবুল মুনির বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকতর উন্নয়নের জন্য এধরনের প্রকল্প বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে বিগত ৩০ বছরের ন্যায় আগামীতেও সুইড বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
উন্নয়ন কর্মী নিগার সুলতানা বলেন, প্রতিবন্ধীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা আমাদের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু তারা নানা বৈষম্যের শিকার। বিশেষ করে শহরের থেকে গ্রামীণ অঞ্চলে প্রতিবন্ধীরা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত। এই প্রকল্পের কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের আলো পৌঁছে দিতে হবে।



















