ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

চোখে মুখে তার সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়ার স্বপ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩ ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ

ঐতিহাসিক লাল দীঘি ময়দানের পশ্চিম পাশে আকাশ চুম্বি জেলা পরিষদ ভবনে স্থাপন করা হবে  ‘চট্টগ্রামের ঐতিহ্য কর্ণার’। যা আগামী প্রজন্মকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলন ঘটিয়ে দেবে

আমিনুল হক

চোখেমুখে তার সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়ার স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যেই দিনরাত কাজ করে চলেছেন। ছুটি দিনেও বৃষ্টি মাথায় নিয়েও অফিস করছেন। বারো আউলিয়ার পুণ্যভূমি, আধ্যাত্মিক ও বাণিজ্যনগরী হাজার বছরের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ। এখানের ঐতিহাসিক লাল দীঘি ময়দানের পশ্চিম পাশে আকাশ চুম্বি জেলা পরিষদ ভবনে গড়ে তোলা হবে ‘চট্টগ্রামের ঐতিহ্য কর্ণার’। যা কিনা আগামী প্রজন্মকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলন ঘটিয়ে দেবে।

১৮৮৭ সালে ৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের আয়তন ৫,২৮৩ বর্গ কিলোমিটার। থানার সংখ্যা ১৪টি। বিশাল আয়তনের জেলা পরিষদ এলাকায় নানা ধরণের শিল্পকারখানা রয়েছে। সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম হচ্ছে স্বাধীনতার সূতিকাগার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাই নয়, এখানের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’র কার্যক্রম, সমুদ্র বন্দরে পাকিস্তানী জাহাজ থেকে অস্ত্রখালাস বন্ধ, স্বাধীনতার পতাকা উড়ানো, মাস্টার দা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ভারত উপমহাদেশের সশস্ত্র বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল সমৃদ্ধ ইতিহাসের নগরী চট্টগ্রামেই।

নবনির্মিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ভবন

দেশের প্রতি তার মমত্ববোধ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারাবাহিক উন্নয়নের একজন কর্মী বন্ধুবাৎসল ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইয়ারুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় তার কার্যালয়ে।

বাংলাদেশের আগামীর ‘অর্থনৈতিক হাব’ চট্টগ্রাম। এই চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল, বে-টার্মিনাল, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, মিরসরাইয়ে সর্ববিহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল ইত্যাদি মিলিয়ে সহজেই উচ্চারণ করা যায়, চট্টগ্রামের আকাশে উড়ছে ‘উন্নয়নের শঙ্ক চিল’।

পেয়ারুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদের আওতাধীন সেতু, কালভার্ট, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে ধারাবাহিক উন্নয়ন চলছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে নজির গড়া কর্মকাণ্ড চলছে, তা বাস্তবায়নে জেলা পরিষদও পিছিয়ে নেই।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করে বিশ্বে নজির গড়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোলমডেলে পরিণত হয়েছে। পেয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, কেবল পদ্মা সেতুই নয়, বাংলাদেশের যে দিকে চোখ যাবে, সেদিকেই উন্নয়নের চিত্র দেখা যাবে।

বাংলাদেশের ঈর্শনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পাচ্ছেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। এখন ইচ্ছে করলেই একজন কৃষিজীবী মানুষ  তার উৎপাদিত পণ্য অল্প সময়ে রাজধানী বা পার্শ্ববর্তীশ ফ্রি ইভেন্ট হরে নিয়ে যেতে পারেন।

কর্মব্যস্ত মানুষটি সঙ্গে আগেই কথা হয়েছিল, শুক্রবারও তিনি অফিস করবেন। সেদিন তার জেলা পরিষদ অফিসে চট্টগ্রামের শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে পরামর্শমূলক বৈঠক করেন পেয়ারুল ইসলাম। দীর্ঘ বৈঠকের মহৎ কারণটি হচ্ছে, চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণে জেলা পরিষদ ভবনে ‘চট্টগ্রাম ঐতিহ্য কর্ণা’ প্রতিষ্ঠা করা। সেখানে চট্টগ্রামের সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সকল রকমের ঐতিহ্য স্থান পাবে।

দীর্ঘ বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন করে নিজ আসনে বসলেন পেয়ারুল ইসলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার ঘোষণা, সমুদ্র বন্দর, বাংলাদেশ-ভারত পণ্য পরিবহণ, চট্টগ্রাম থেকে ত্রিপুরা হয়ে সিলেট যাতায়ত ইত্যাদি প্রসঙ্গ আলোচনায় ওঠে আসে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম

পেয়ারুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ৯১ কিলোমিটার দূরত্বে রামগড়ে ফেনী নদীর ওপরে গড়ে ওঠেছে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যে কোন পণ্যবাহী লরি মাত্র চার ঘন্টায় ভারতের প্রান্তিক রাজ্য ত্রিপুরায় পৌঁছে যাবে। সময় সাশ্রয়ী এই পণ্যপরিবহনের সুবিধাভোগী হবে উত্তরপূর্বের সাতরাজ্যের মানুষ। তাতে করে মানুষে মানুষে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের এককোটি মানুষকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধ করতে অস্ত্র দিয়েছে। ভারতের এই ঋণ বাংলাদেশের মানুষ স্বীকার করে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান পেয়ারুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যেতে ফেণী, কুমিল্লা, ব্রহ্মণবাড়িয়া হয়ে ১০-১২ ঘন্টা সময় লেগে যায়। তাতে করে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও জরুরী কোন কাজ সেরে দিনে দিনে ফেরা অসম্ভব হয়ে ওঠে। পেয়ারুল ইসলাম বলেন, ত্রিপুরার ওপর দিয়ে সিলেট যাতায়তে মাত্র ৫ ঘন্টায় সময় লাগবে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিতে দেশটির সরকারের কাছে আবেদন জানান পেয়ারুল ইসলাম।

শতাব্দীকালের বৃহত্তম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যাবলী বিভিন্ন সময়ে প্রনীত আইন ও অধ্যাদেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়ে আসছে। লোকাল সেলফ গভর্নমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮৫ বলে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ডিষ্ট্রিক্ট বোর্ড ১৮৮৭ সালের  ৫ই এপ্রিল থেকেই জনসাধারনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করে চলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চোখে মুখে তার সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়ার স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ

ঐতিহাসিক লাল দীঘি ময়দানের পশ্চিম পাশে আকাশ চুম্বি জেলা পরিষদ ভবনে স্থাপন করা হবে  ‘চট্টগ্রামের ঐতিহ্য কর্ণার’। যা আগামী প্রজন্মকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলন ঘটিয়ে দেবে

আমিনুল হক

চোখেমুখে তার সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়ার স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যেই দিনরাত কাজ করে চলেছেন। ছুটি দিনেও বৃষ্টি মাথায় নিয়েও অফিস করছেন। বারো আউলিয়ার পুণ্যভূমি, আধ্যাত্মিক ও বাণিজ্যনগরী হাজার বছরের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ। এখানের ঐতিহাসিক লাল দীঘি ময়দানের পশ্চিম পাশে আকাশ চুম্বি জেলা পরিষদ ভবনে গড়ে তোলা হবে ‘চট্টগ্রামের ঐতিহ্য কর্ণার’। যা কিনা আগামী প্রজন্মকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলন ঘটিয়ে দেবে।

১৮৮৭ সালে ৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের আয়তন ৫,২৮৩ বর্গ কিলোমিটার। থানার সংখ্যা ১৪টি। বিশাল আয়তনের জেলা পরিষদ এলাকায় নানা ধরণের শিল্পকারখানা রয়েছে। সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম হচ্ছে স্বাধীনতার সূতিকাগার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাই নয়, এখানের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’র কার্যক্রম, সমুদ্র বন্দরে পাকিস্তানী জাহাজ থেকে অস্ত্রখালাস বন্ধ, স্বাধীনতার পতাকা উড়ানো, মাস্টার দা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ভারত উপমহাদেশের সশস্ত্র বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল সমৃদ্ধ ইতিহাসের নগরী চট্টগ্রামেই।

নবনির্মিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ভবন

দেশের প্রতি তার মমত্ববোধ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারাবাহিক উন্নয়নের একজন কর্মী বন্ধুবাৎসল ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইয়ারুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় তার কার্যালয়ে।

বাংলাদেশের আগামীর ‘অর্থনৈতিক হাব’ চট্টগ্রাম। এই চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল, বে-টার্মিনাল, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, মিরসরাইয়ে সর্ববিহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল ইত্যাদি মিলিয়ে সহজেই উচ্চারণ করা যায়, চট্টগ্রামের আকাশে উড়ছে ‘উন্নয়নের শঙ্ক চিল’।

পেয়ারুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদের আওতাধীন সেতু, কালভার্ট, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে ধারাবাহিক উন্নয়ন চলছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে নজির গড়া কর্মকাণ্ড চলছে, তা বাস্তবায়নে জেলা পরিষদও পিছিয়ে নেই।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করে বিশ্বে নজির গড়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোলমডেলে পরিণত হয়েছে। পেয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, কেবল পদ্মা সেতুই নয়, বাংলাদেশের যে দিকে চোখ যাবে, সেদিকেই উন্নয়নের চিত্র দেখা যাবে।

বাংলাদেশের ঈর্শনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পাচ্ছেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। এখন ইচ্ছে করলেই একজন কৃষিজীবী মানুষ  তার উৎপাদিত পণ্য অল্প সময়ে রাজধানী বা পার্শ্ববর্তীশ ফ্রি ইভেন্ট হরে নিয়ে যেতে পারেন।

কর্মব্যস্ত মানুষটি সঙ্গে আগেই কথা হয়েছিল, শুক্রবারও তিনি অফিস করবেন। সেদিন তার জেলা পরিষদ অফিসে চট্টগ্রামের শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে পরামর্শমূলক বৈঠক করেন পেয়ারুল ইসলাম। দীর্ঘ বৈঠকের মহৎ কারণটি হচ্ছে, চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণে জেলা পরিষদ ভবনে ‘চট্টগ্রাম ঐতিহ্য কর্ণা’ প্রতিষ্ঠা করা। সেখানে চট্টগ্রামের সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সকল রকমের ঐতিহ্য স্থান পাবে।

দীর্ঘ বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন করে নিজ আসনে বসলেন পেয়ারুল ইসলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার ঘোষণা, সমুদ্র বন্দর, বাংলাদেশ-ভারত পণ্য পরিবহণ, চট্টগ্রাম থেকে ত্রিপুরা হয়ে সিলেট যাতায়ত ইত্যাদি প্রসঙ্গ আলোচনায় ওঠে আসে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম

পেয়ারুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ৯১ কিলোমিটার দূরত্বে রামগড়ে ফেনী নদীর ওপরে গড়ে ওঠেছে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যে কোন পণ্যবাহী লরি মাত্র চার ঘন্টায় ভারতের প্রান্তিক রাজ্য ত্রিপুরায় পৌঁছে যাবে। সময় সাশ্রয়ী এই পণ্যপরিবহনের সুবিধাভোগী হবে উত্তরপূর্বের সাতরাজ্যের মানুষ। তাতে করে মানুষে মানুষে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের এককোটি মানুষকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধ করতে অস্ত্র দিয়েছে। ভারতের এই ঋণ বাংলাদেশের মানুষ স্বীকার করে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান পেয়ারুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যেতে ফেণী, কুমিল্লা, ব্রহ্মণবাড়িয়া হয়ে ১০-১২ ঘন্টা সময় লেগে যায়। তাতে করে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও জরুরী কোন কাজ সেরে দিনে দিনে ফেরা অসম্ভব হয়ে ওঠে। পেয়ারুল ইসলাম বলেন, ত্রিপুরার ওপর দিয়ে সিলেট যাতায়তে মাত্র ৫ ঘন্টায় সময় লাগবে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিতে দেশটির সরকারের কাছে আবেদন জানান পেয়ারুল ইসলাম।

শতাব্দীকালের বৃহত্তম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যাবলী বিভিন্ন সময়ে প্রনীত আইন ও অধ্যাদেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়ে আসছে। লোকাল সেলফ গভর্নমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮৫ বলে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ডিষ্ট্রিক্ট বোর্ড ১৮৮৭ সালের  ৫ই এপ্রিল থেকেই জনসাধারনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করে চলেছে।