ক্যাম্প কমান্ডারসহ সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন: আইএসপিআর
- আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা অভিযানে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সেখানকার ক্যাম্প কমান্ডারসহ সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর ‘চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে আটককৃত ব্যক্তির মৃত্যুবরণ প্রসঙ্গে’ শীর্ষক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, গতকাল রাত ১১টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য যৌথ বাহিনী জীবননগরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলুকে (৫০) আটক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি করে ১টি ৯ মিমি. পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন ও ৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিমধ্যে ওই ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সব সেনাসদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, শামসুজ্জামান জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁকে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে আটক করা হয়। পৌর বিএনপির এই নেতাকে আটক ও তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা গতকাল গভীর রাতেই রাস্তায় নেমে আসেন। তাঁরা হাসপাতালের সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা শামসুজ্জামানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।



















