ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

ব্যাংকের ভল্টে নেই ১৯ কোটি টাকা, তিনজনকে প্রত্যাহার, ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ছবি: সংগৃহীত

নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে এক ভিআইপি গ্রাহককে ১৯ কোটি ঋণ দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ব্যাংক পাড়ায়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটির তরফে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং লেনদেন সময়ের পর

ভিআইপি গ্রাহককে মোটা দাগের এই টাকা দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে ব্যাংকিং নিয়ম-নীতির কিছুটা ব্যত্যয় হয়েছে বটে, তবে এমন ঘটনা নতুন নয়। গ্রাহক-ব্যাংক সম্পর্কের ভিত্তিতে এমন

লেনদেন হয়েছে। সেই ভিআইপি গ্রাহক কে? সে বিষয়ে ব্যাংকের তরফে কোনরকম তথ্য জানানো হয়নি।

ব্যাংকের ভল্টের ১৯ কোটি টাকার হিসাব না মেলার ঘটনায় ব্যাংকটির গুলশান শাখার সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে ডেকে এ তথ্য তুলে ধরেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হাসান ইকবাল।

গত সোমবার বেসরকারি খাতের ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখায় পরিদর্শনে গিয়ে ব্যাংকটির ভল্টের হিসাবে গরমিল দেখতে পান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। কাগজপত্রে শাখার ভল্টে

যে পরিমাণ টাকা থাকার কথা, বাস্তবে তার চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি টাকা কম পাওয়া যায়। শাখাটির নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, ভল্টে ৩১ কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা

সেখানে গিয়ে গুনে পেয়েছেন ১২ কোটি টাকা। বাকি ১৯ কোটি টাকার ঘাটতি সম্পর্কে শাখাটির কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দলকে যথাযথ

কোনো জবাব দিতে পারেননি তারা। তবে ব্যাংকটির ডিএমডি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলের উপস্থিতিতেই ১৯ কোটি টাকার হিসাব সমন্বয় করা হয়। এ ঘটনায় ব্যাংকটির

কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ব্যাংকের কাছে আমরা ব্যাখ্যা জানতে চিঠি দিয়েছি। এখনো তারা উত্তর দেয়নি। তাদের জবাব পেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, প্রতিদিন লেনদেনের শেষ ও শুরুতে ভল্টের টাকা মিলিয়ে রাখার দায়িত্ব ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, সেকেন্ড অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জের। ভল্টে টাকার হিসাবে কোনো গরমিল হলে তা

মিলিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এসব কর্মকর্তার। অনেক সময় হিসাবের ভুলে সামান্য টাকার গরমিল হতে পারে। তবে বড় অঙ্কের টাকার গরমিল হলে তা ফৌজদারি অপরাধ। এক্ষেত্রে

তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তবে অদৃশ্য কারণে এক্ষেত্রে কাউকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়নি। এমনকি থানায় কোনো সাধারণ ডায়ারিও করেনি ব্যাংকটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যাংকের ভল্টে নেই ১৯ কোটি টাকা, তিনজনকে প্রত্যাহার, ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৮:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

ছবি: সংগৃহীত

নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে এক ভিআইপি গ্রাহককে ১৯ কোটি ঋণ দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ব্যাংক পাড়ায়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটির তরফে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং লেনদেন সময়ের পর

ভিআইপি গ্রাহককে মোটা দাগের এই টাকা দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে ব্যাংকিং নিয়ম-নীতির কিছুটা ব্যত্যয় হয়েছে বটে, তবে এমন ঘটনা নতুন নয়। গ্রাহক-ব্যাংক সম্পর্কের ভিত্তিতে এমন

লেনদেন হয়েছে। সেই ভিআইপি গ্রাহক কে? সে বিষয়ে ব্যাংকের তরফে কোনরকম তথ্য জানানো হয়নি।

ব্যাংকের ভল্টের ১৯ কোটি টাকার হিসাব না মেলার ঘটনায় ব্যাংকটির গুলশান শাখার সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে ডেকে এ তথ্য তুলে ধরেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হাসান ইকবাল।

গত সোমবার বেসরকারি খাতের ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখায় পরিদর্শনে গিয়ে ব্যাংকটির ভল্টের হিসাবে গরমিল দেখতে পান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। কাগজপত্রে শাখার ভল্টে

যে পরিমাণ টাকা থাকার কথা, বাস্তবে তার চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি টাকা কম পাওয়া যায়। শাখাটির নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, ভল্টে ৩১ কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা

সেখানে গিয়ে গুনে পেয়েছেন ১২ কোটি টাকা। বাকি ১৯ কোটি টাকার ঘাটতি সম্পর্কে শাখাটির কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দলকে যথাযথ

কোনো জবাব দিতে পারেননি তারা। তবে ব্যাংকটির ডিএমডি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলের উপস্থিতিতেই ১৯ কোটি টাকার হিসাব সমন্বয় করা হয়। এ ঘটনায় ব্যাংকটির

কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ব্যাংকের কাছে আমরা ব্যাখ্যা জানতে চিঠি দিয়েছি। এখনো তারা উত্তর দেয়নি। তাদের জবাব পেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, প্রতিদিন লেনদেনের শেষ ও শুরুতে ভল্টের টাকা মিলিয়ে রাখার দায়িত্ব ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, সেকেন্ড অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জের। ভল্টে টাকার হিসাবে কোনো গরমিল হলে তা

মিলিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এসব কর্মকর্তার। অনেক সময় হিসাবের ভুলে সামান্য টাকার গরমিল হতে পারে। তবে বড় অঙ্কের টাকার গরমিল হলে তা ফৌজদারি অপরাধ। এক্ষেত্রে

তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তবে অদৃশ্য কারণে এক্ষেত্রে কাউকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়নি। এমনকি থানায় কোনো সাধারণ ডায়ারিও করেনি ব্যাংকটি।