ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সবার আগে বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার: দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, ৩ নবজাতকের মৃত্যু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের দায়িত্ব বণ্টন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকির জবাবে তেল রপ্তানি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের জবানবন্দি গ্রহণে গুরুতর ত্রুটি ১৬ বছর পর উচ্চ আদালতের পদক্ষেপ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানুষের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক দৃঢ় করাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পিছিয়ে পড়ল কেন? অর্থনৈতিক পরাশক্তি জাপান এখন চতুর্থ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ: কেন পিছিয়ে পড়ল জাপান?

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কতটা শক্তিশালী তা পরিমাপ করা হয় মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি দিয়ে। মানুষ ডলারের হিসাবে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে পণ্য ও সেবা কিনছে, বিনিয়োগ করছে, সরকারি ব্যয় ও রপ্তানির মোট মূল্য সবকিছু পরিমাপ করা হয় জিডিপি দিয়ে।

সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের মধ্যে উৎপাদিত এবং বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্য ও পরিষেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যই হলো জিডিপি। বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপির ভিত্তিতে দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আইএমএফের ২০২৬ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি ৩২.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির অধিকারী। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন ২০.৮৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী।

তৃতীয় স্থানে থাকা জার্মানি ৫.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অধিকারী। আর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে জাপান। দেশটি ৪.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। পঞ্চম স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য।

দেশটি ৪.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। আর ষষ্ঠ দেশ হিসেবে রয়েছে ভারত। দেশটি ৪.১৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। এদিকে ২০ বছর আগে ২০০৬ অর্থবছরে বিশ্ব অর্থনীতির দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জাপান। দেশটি তখন ৪.৫৩ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী ছিল।

২০ বছর পরও সেই একই জিডিপির অধিকারী রয়েছে দেশটি। অন্যদিকে সেই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম স্থানে থেকে ১৩.৮১ ট্রিলিয়ন ডলারের অধিকারী ছিল। অথচ বর্তমানে দেশটি ৩২.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী।

একসময় বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে থাকা জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা ও স্থবিরতা, মুদ্রার (ইয়েন) ব্যাপক অবমূল্যায়ন এবং তীব্র জনসংখ্যাগত সংকট। কারণ ২০১০ সালে চীনের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারানোর পর জাপান দীর্ঘদিন তৃতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের শেষে এসে জার্মানি এবং পরবর্তী সময়ে ভারতের দ্রুত উত্থানের ফলে জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান প্রায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপানের অর্থনৈতিক পতন ঘটে। একেই প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ডলারের মাপে হিসাব করা হয়। আর ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় ডলারের অঙ্কে জাপানের অর্থনীতির আকার ছোট দেখিয়েছে, যা তাকে তালিকায় পিছিয়ে দিয়েছে। সূত্র : দ্য স্ট্রেইটস টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পিছিয়ে পড়ল কেন? অর্থনৈতিক পরাশক্তি জাপান এখন চতুর্থ

আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কতটা শক্তিশালী তা পরিমাপ করা হয় মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি দিয়ে। মানুষ ডলারের হিসাবে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে পণ্য ও সেবা কিনছে, বিনিয়োগ করছে, সরকারি ব্যয় ও রপ্তানির মোট মূল্য সবকিছু পরিমাপ করা হয় জিডিপি দিয়ে।

সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের মধ্যে উৎপাদিত এবং বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্য ও পরিষেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যই হলো জিডিপি। বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপির ভিত্তিতে দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আইএমএফের ২০২৬ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি ৩২.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির অধিকারী। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন ২০.৮৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী।

তৃতীয় স্থানে থাকা জার্মানি ৫.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অধিকারী। আর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে জাপান। দেশটি ৪.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। পঞ্চম স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য।

দেশটি ৪.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। আর ষষ্ঠ দেশ হিসেবে রয়েছে ভারত। দেশটি ৪.১৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী। এদিকে ২০ বছর আগে ২০০৬ অর্থবছরে বিশ্ব অর্থনীতির দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জাপান। দেশটি তখন ৪.৫৩ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী ছিল।

২০ বছর পরও সেই একই জিডিপির অধিকারী রয়েছে দেশটি। অন্যদিকে সেই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম স্থানে থেকে ১৩.৮১ ট্রিলিয়ন ডলারের অধিকারী ছিল। অথচ বর্তমানে দেশটি ৩২.৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অধিকারী।

একসময় বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে থাকা জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা ও স্থবিরতা, মুদ্রার (ইয়েন) ব্যাপক অবমূল্যায়ন এবং তীব্র জনসংখ্যাগত সংকট। কারণ ২০১০ সালে চীনের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারানোর পর জাপান দীর্ঘদিন তৃতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের শেষে এসে জার্মানি এবং পরবর্তী সময়ে ভারতের দ্রুত উত্থানের ফলে জাপান বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান প্রায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপানের অর্থনৈতিক পতন ঘটে। একেই প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ডলারের মাপে হিসাব করা হয়। আর ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় ডলারের অঙ্কে জাপানের অর্থনীতির আকার ছোট দেখিয়েছে, যা তাকে তালিকায় পিছিয়ে দিয়েছে। সূত্র : দ্য স্ট্রেইটস টাইমস