ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কয়েক সপ্তাহেই শেষ হতে পারে ইরান যুদ্ধ: রুবিওর দাবি চাঁদের পথে নতুন দিগন্ত: অ্যাপোলোর পর আর্টেমিসে ইতিহাস গড়ার অভিযাত্রা অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ব্যর্থতায় হামের প্রকোপ বেড়েছে: রাজশাহীতে স্বাস্থ্যবিষয়ক নেতার সতর্কবার্তা বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই,  গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বেশি সংসদে হাসনাতের জন্ম-সালাহ  উদ্দিনের আগে আসার কাণ্ড! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  সৌজন্য, বিরোধীদলীয় নেতাকে স্বাগত দিয়ে প্রশংসা হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি মব কালচারের নামে নৈরাজ্য নয়, দাবি আদায়ে রাস্তা অবরোধে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যেভাবে সাইবার জালে ধরা পড়ল ৪০ কোটি: সিআইডির অভিযানে ফেরত এলো পাচার হওয়া অর্থ তেহরান থেকে দেশে  ফেরানো হলো  ১৮৬ বাংলাদেশিকে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘরে বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি বলেন, জাতি বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। ঘরে ও বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ঢাবি ভিসি। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা জাতির সূর্য সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগ আমাদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জাতি সেই সাহসের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে জনগণের ঐক্য ও সাহস জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। বিভক্তি নয়, বরং ঐক্যের মধ্য দিয়েই সব সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক পৃথক ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকাল থেকেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের তুলনায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি, যা দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

আপডেট সময় : ১২:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘরে বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি বলেন, জাতি বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। ঘরে ও বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ঢাবি ভিসি। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা জাতির সূর্য সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগ আমাদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জাতি সেই সাহসের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে জনগণের ঐক্য ও সাহস জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। বিভক্তি নয়, বরং ঐক্যের মধ্য দিয়েই সব সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক পৃথক ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকাল থেকেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের তুলনায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি, যা দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।