Rohingya camp : তমব্রু সীমান্তের রোহিঙ্গা শিবিরে গোলাগুলি অগ্নিসংযোগ
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক
বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তের কোনারপাড়ার শূন্যরেখায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে মিয়ানমারের সশস্ত্র দুই পক্ষের মধ্যে দিনভর গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কমপক্ষে ৩ রোহিঙ্গা নিহত হন। তাদের একজন হামিদ উল্লাহ (২৭)। অপর দুইজনের মরদেহ পাওয়া গেলেও নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বুধবার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে দিনভর গোলাগুলির পর সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শত শত ঘর পুড়ে গেছে। জানা যায়, এদিন রাত ১০টা পর্যন্ত আশ্রয় শিবিরটিতে ‘আরসা ও আরএসও’ এর মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। এসময় গুলিতে কমপক্ষে ৩জন রোহিঙ্গা নাগরিক নিহত এবং কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
শিশুসহ দুজন গুলিবিদ্ধ টেকনাফের ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৫ ব্লকের বাসিন্দা দিলদার আহমদের ছেলে মুহিব উল্লাহ (২৫) ও তমব্রু কোনারপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা নুর হোসেনের ছেলে মো. হোসেন (১২) উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর কথা। বিকেল ৫টার দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে। আগুনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করলেও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক পরিষ্কার ধারণা দিতে পারেননি।
রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লাগার পর ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কিছু রোহিঙ্গা পরিবার তমব্রু বাজার এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে বলে প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আবার অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে গেছেন। তমব্রু বাজার এলাকায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে বিজিবি ঘিরে রেখেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব রোহিঙ্গাকে শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হবে।
প্রশাসন সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্প হওয়ায় আন্তর্জাতিক রীতি মতে প্রশাসন বা বিজিবিসহ সীমান্ত সংশ্লিষ্টরা ঘটনার প্রকৃত কারণ ও চিত্র সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে পারছে না। একই কারণে ঘটনার ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের কাছে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সীমান্তে উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি কড়া সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিকেল ৫টার দিকে তমব্রু শূন্যরেখার রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনের সূত্রপাত। শিবিরের আশ্রয়রত রোহিঙ্গাদের অনেকেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে গেছেন।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমেন শর্মা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের দাবি মিয়ানমানের দুই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে।




















