Militant training : পাহাড়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণ আর সমতলে হামলার পরিকল্পনা
- আপডেট সময় : ০৬:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২ ৭৯১ বার পড়া হয়েছে
`পুলিশের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত বাড়ি ছাড়া ৭০ জন নিখোঁজ রয়েছে’
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
পাহাড়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ আর সমতলে হামলা চালিয়ে অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা ছিলো। সে অনুযায়ী কারাগারে বসেই সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন গড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। জামিনে বের হয়ে জোর কদমে হাত লাগায় জঙ্গি সংগঠনের সদস্য সংগ্রহে। সমমনাদের কাজে লাগানো হয়। কোন পরিবারের সহজ-সরল স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলা হতো।
কিছুদিন পর তাদের জিহাদের নামে জীবন উৎসর্গের করতে বাড়ি ছেড়ে আসার বয়ান দেওয়া হতো। কুমিল্লা থেকে সাত কলেজ পড়ুয়া বাড়ি ছাড়ার গল্পটা এমনই। ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে উগ্রবাদী জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকীয়ার ৫ জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের পর কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সিটি ইনভেস্টিগেশন (সিটিটিসি) বিভাগ এসব তথ্য জানায়।
তারা বলছে, সম্প্রতি কুমিল্লা থেকে সাত তরুণ নিখোঁজ হওয়ার পর সিটিটিসি মাঠে নামে। ডিসি নাজমুল হক জানান, কুমিল্লা থেকে হিজরতের উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়া আবরারুল হককে ঢাকা থেকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক শাকির বিন ওয়ালী জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম হোতা এবং আহত ও ঘরছাড়া জঙ্গি সদস্যদের পাহাড়ে গিয়ে চিকিৎসা দিতেন। আদালতে সবিস্তার স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন তিনি। পুলিশ জানায় নব্য এই সংগঠনটির পাণ্ডা হচ্ছে গ্রেপ্তার শামিন মাহফুজ।
তার বন্ধু পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) প্রধান নাথান বোম। জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার সদস্যদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতে মাথা পিছু তিনলাখ টাকা করে চুক্তি হয়। সম্প্রতি পাহাড়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে ১০জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত বাড়ি ছাড়া ৭০ জন নিখোঁজ রয়েছে। তিন ধাপে প্রশিক্ষণ শিবিরে লোক পাঠানো হলেও অনেকেই সেখানে যায়নি। তারা হয়তো অন্য কোনো শেল্টার হোমে রয়েছে।





















