ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, কূটনীতিতেও কোণঠাসা ভারত জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ‘খুবই সফল’ বৈঠক শেষে বেইজিং ছাড়লেন ট্রাম্প ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ঢাকায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন মশা নৌবহর: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ছোট নৌকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, ঢাকা ছাড়তে পারেন কোটি মানুষ পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে বিয়ের সওদা করতে গিয়ে ৪ ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া

‘২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ কমতে পারে উইঘুর মুসলিমদের সংখ্যা’

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১ ২৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য চীন সরকার যে নীতি গ্রহণ করেছে তাতে জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। জার্মানির একজন গবেষক সম্প্রতি এক নতুন বিশ্লে­ষণের মাধ্যমে এই তথ্য তুলে ধরেছেন।

বিশ্লে­ষণে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য চীন সরকার যে আঞ্চলিক নীতি গ্রহণ করেছে তাতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে ২৬ লাখ থেকে ৪৫ লাখ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। জিনজিয়াং প্রদেশে জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু পশ্চিমা দেশ চীনকে গণহত্যার জন্য অভিযুক্ত করেছে। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করে চীন বলেছে জন্মহার কমে যাবার পেছনে অন্য কারণ রয়েছে। খবর বিবিসি বাংলার।

জিনজিয়াং প্রদেশে চীন সরকারের দমন-পীড়নের কারণে উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর জনসংখ্যার ওপর প্রভাব বিশ্লে­ষণ করেছেন জার্মানির গবেষক অ্যাডরিন জেনজ। চীনে সরকারের নতুন নীতির আগে দেশটির গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জিনজিয়াং প্রদেশে ১ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু চীন সরকারের নতুন দমন-পীড়নের কারণে জিনজিয়াং প্রদেশে আগামী দুই দশকে জনসংখ্যা হতে পারে ৮৬ লাখ থেকে ১ কোটি ৫ লাখ।

জেনজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, উইঘুর মুসলিমদের বিষয়ে চীন সরকারের যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে সেটি উঠে এসেছে এই গবেষণায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ কমতে পারে উইঘুর মুসলিমদের সংখ্যা’

আপডেট সময় : ১১:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য চীন সরকার যে নীতি গ্রহণ করেছে তাতে জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। জার্মানির একজন গবেষক সম্প্রতি এক নতুন বিশ্লে­ষণের মাধ্যমে এই তথ্য তুলে ধরেছেন।

বিশ্লে­ষণে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য চীন সরকার যে আঞ্চলিক নীতি গ্রহণ করেছে তাতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে ২৬ লাখ থেকে ৪৫ লাখ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। জিনজিয়াং প্রদেশে জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু পশ্চিমা দেশ চীনকে গণহত্যার জন্য অভিযুক্ত করেছে। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করে চীন বলেছে জন্মহার কমে যাবার পেছনে অন্য কারণ রয়েছে। খবর বিবিসি বাংলার।

জিনজিয়াং প্রদেশে চীন সরকারের দমন-পীড়নের কারণে উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর জনসংখ্যার ওপর প্রভাব বিশ্লে­ষণ করেছেন জার্মানির গবেষক অ্যাডরিন জেনজ। চীনে সরকারের নতুন নীতির আগে দেশটির গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জিনজিয়াং প্রদেশে ১ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু চীন সরকারের নতুন দমন-পীড়নের কারণে জিনজিয়াং প্রদেশে আগামী দুই দশকে জনসংখ্যা হতে পারে ৮৬ লাখ থেকে ১ কোটি ৫ লাখ।

জেনজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, উইঘুর মুসলিমদের বিষয়ে চীন সরকারের যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে সেটি উঠে এসেছে এই গবেষণায়।