ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

বেশিরভাগ ফিলিপিনো চায় না করোনা টিকা, বিশেষ করে চীনা ডোজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১ ২৬০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনাভাইরাসের টিকার ডোজ সরবরাহে বিলম্ব, বিশৃঙ্খলা এবং অনিয়মিত সরবরাহের জন্য ফিলিপাইনে দুই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, প্রথমত- সে দেশের বেশিরভাগ নাগরিক করোনাভাইরাসের টিকা নিতে চায় না। আর দ্বিতীয়ত, করোনাভাইরাসের টিকার চীনা ডোজ তারা নিতে চায় না।

গত ১৭ মে ম্যানিলার প্যারানাক সিটির টিকাদানকেন্দ্রে  ফাইজারের করোনা টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের ঢল নেমেছিল। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মানুষের ভিড় এতোটাই ছিল যে, মানুষজন কোনো ধরনের শারীরিক দূরত্ব বিধি মানতে পারেনি। এমনকি যাদের সেখানে টিকা নেওয়ার কথা নয়, তারাও সারিতে দাঁড়িয়ে ভিড় করেছিল।

সে তুলনায়, যেসব কেন্দ্রে চীনেরিসিনোভ্যাকের তৈরি করোনা টিকার ডোজ হচ্ছে, সেখানে খুবই কম সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে। ফিলিপাইনের করোনা টাস্ক ফোর্সের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ডা. অ্যান্থনি লিচন বলেন, আমি মনে করি কার্যকারিতা এবং সুরক্ষার জন্য প্রমাণিত মানের ওষুধ উৎপাদন করার জন্য মার্কিন ওষুধ সংস্থাগুলোর রেকর্ড। দুর্দান্ত গবেষণা এবং উন্নয়নের ফলাফল তাদের তৈরি ওষুধ।

এবিএস-সিবিএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনোভ্যাকের ৫৫ লাখ ডোজ, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৫ লাখ ডোজ এবং ফাইজারের এক লাখ ৯৩ হাজার ডোজ পেয়েছে ফিলিপাইন।

এর আগে বলা হয়েছে, সে দেশের জনসংখ্যা ১১০ মিলিয়ন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য অন্তত ৭০ মিলিয়ন ডোজ করোনা টিকা দরকার বলে দেশটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল।

গত ১ মার্চ থেকে সে দেশে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ২৪ মে পর্যন্ত মাত্র ৯ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৯ জন ফিলিপিনো করোনা টিকা নিয়েছেন।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বেশিরভাগ ফিলিপিনো চায় না করোনা টিকা, বিশেষ করে চীনা ডোজ

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১

করোনাভাইরাসের টিকার ডোজ সরবরাহে বিলম্ব, বিশৃঙ্খলা এবং অনিয়মিত সরবরাহের জন্য ফিলিপাইনে দুই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, প্রথমত- সে দেশের বেশিরভাগ নাগরিক করোনাভাইরাসের টিকা নিতে চায় না। আর দ্বিতীয়ত, করোনাভাইরাসের টিকার চীনা ডোজ তারা নিতে চায় না।

গত ১৭ মে ম্যানিলার প্যারানাক সিটির টিকাদানকেন্দ্রে  ফাইজারের করোনা টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের ঢল নেমেছিল। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মানুষের ভিড় এতোটাই ছিল যে, মানুষজন কোনো ধরনের শারীরিক দূরত্ব বিধি মানতে পারেনি। এমনকি যাদের সেখানে টিকা নেওয়ার কথা নয়, তারাও সারিতে দাঁড়িয়ে ভিড় করেছিল।

সে তুলনায়, যেসব কেন্দ্রে চীনেরিসিনোভ্যাকের তৈরি করোনা টিকার ডোজ হচ্ছে, সেখানে খুবই কম সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে। ফিলিপাইনের করোনা টাস্ক ফোর্সের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ডা. অ্যান্থনি লিচন বলেন, আমি মনে করি কার্যকারিতা এবং সুরক্ষার জন্য প্রমাণিত মানের ওষুধ উৎপাদন করার জন্য মার্কিন ওষুধ সংস্থাগুলোর রেকর্ড। দুর্দান্ত গবেষণা এবং উন্নয়নের ফলাফল তাদের তৈরি ওষুধ।

এবিএস-সিবিএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনোভ্যাকের ৫৫ লাখ ডোজ, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৫ লাখ ডোজ এবং ফাইজারের এক লাখ ৯৩ হাজার ডোজ পেয়েছে ফিলিপাইন।

এর আগে বলা হয়েছে, সে দেশের জনসংখ্যা ১১০ মিলিয়ন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য অন্তত ৭০ মিলিয়ন ডোজ করোনা টিকা দরকার বলে দেশটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল।

গত ১ মার্চ থেকে সে দেশে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ২৪ মে পর্যন্ত মাত্র ৯ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৯ জন ফিলিপিনো করোনা টিকা নিয়েছেন।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট