ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে ইরানের হামলার মুখে ঘাঁটি ছেড়ে লুকিয়ে পড়ছেন হাজারো মার্কিন সেনা মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত : দুই শ্রমিক নিহত

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।