ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, কূটনীতিতেও কোণঠাসা ভারত জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ‘খুবই সফল’ বৈঠক শেষে বেইজিং ছাড়লেন ট্রাম্প ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ঢাকায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন মশা নৌবহর: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ছোট নৌকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, ঢাকা ছাড়তে পারেন কোটি মানুষ পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে বিয়ের সওদা করতে গিয়ে ৪ ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীনে রপ্তানি বন্ধে আর্থিক সংকটে নেপালি ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

করোনা সংক্রমণ রোধে চীনের সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নেপাল। বহুসংখ্যক  নেপালি উদ্যোক্তা চীনে পণ্য রপ্তানি না পারায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

নেপাল চেম্বার অব কমার্সের সদ্য সাবেক সভাপতি রাজেশ কাজি বলেন, ‘থামেল, পাটান এবং ভক্তপুর থেকে কার্পেট, থাংকা, রুপার গহনা, কাঠের কারুশিল্প, পশমিনা, মূর্তি রপ্তানি প্রায় শূন্য। নেপাল চেম্বারে ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সড়ক ও আকাশ পথে পণ্য রপ্তানি করে আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ার কারণে তারা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না।’

এছাড়াও শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং চীনা সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা করছেন। তবে এখনই কোনো অগ্রগতি জানাতে পারছেন না।’

কাঠমান্ডু পোস্ট অনুসারে, কেরুং এবং টাটোপানি সীমান্ত পয়েন্টগুলো পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু আমদানি রফতানি শুরু হয়নি।

ফেডারেশন অব নেপালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট প্রমোশন সেন্টারের চেয়ারপার্সন মণীশ লাল প্রধান বলেছেন, ‘টাটোপানি বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর থেকে নেপাল থেকে চীনে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নেপালি ব্যবসায়ীরা চীনের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত বাণিজ্য অবরোধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে। কারণ তাদের পণ্যদ্রব্য বোঝাই কন্টেইনার ট্রাকগুলিকে ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে মহামারির কারণে চীন তার সীমান্ত পয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং এ বছরের ২০ জানুয়ারির পরে সীমান্তটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নেপালের নির্মাতা এবং রপ্তানিকারকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে দিন যাপন করছেন। অনেকে আয়ের অন্যান্য উৎস খুঁজতে শুরু করেছেন।