ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

আলোচনার মাধ্যমে পুশ ইন সমস্যা সমাধান করা দুই দেশেরই দায়িত্ব: ডুজারিক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকছবি: জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ব্রিফিংয়ের ভিডিও থেকে নেওয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সীমান্তে পুশ ইন (লোকজনকে ঠেলে পাঠানো) সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওই সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে আবার নজর দেওয়া যাক। আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, লেবানন, দক্ষিণ সুদান ও হাইতির দিকে। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে কয়েক শ শিশু ও নারীর জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। শিশুরা ক্ষুধার তাড়নায় কাঁদছে। নারীরা খোলা আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘আমি মনে করি, আলোচনার মাধ্যমে এবং মানুষের মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে এই সমস্যার সমাধান করা উভয় দেশেরই দায়িত্ব।’

ওই সাংবাদিক আরেক প্রশ্নে বলেন, সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। কয়েক মাস পরেই তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তাঁর নতুন দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবও অতীতে শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাহলে আমরা কি এখন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারি?’

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, আমি মনে করি, সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ হলো সাধারণ পরিষদের কার্য পরিচালনা করা। সুতরাং মহাসচিব এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতির মধ্যকার পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের বিষয়গুলোই গুরুত্ব পাবে। আর রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টির কাজ (আলাদাভাবে) অব্যাহত থাকবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :