ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের পরিকল্পনা পাকিস্তানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

২০২৪ সালের মধ্যে গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের ভবিষ্যৎ দেখছে পাকিস্তান সরকার। ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপক চাহিদার জন্য চলতি বছর সেপ্টেম্বরে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইমরান খানের প্রশাসন।

গাঁজা অনেকের কাছে মাদক হিসেবে পরিচিত হলেও যুগ যুগ ধরে চিকিৎসাশাস্রে ব্যবহার হচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল মার্কেট ইনসাইটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে গাঁজার বৈধ বাজারের আকার ৫৯ হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে।

সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর এক জরিপের মাধ্যমে গাঁজাকে কঠিন মাদকের তালিকা থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে জাতিসংঘকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল।

গত কয়েক বছর ধরে লোকসানের মুখে আছে পাকিস্তানের অর্থনীতি। রপ্তানির ৬৪ ভাগ যেই তুলা থেকে আসে ২০১৯ সালে তার উৎপাদন ২০ ভাগ কমেছে। তাই সেই জায়গায় গাঁজা চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে দেশটির সরকার।

দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের একটি অংশ ধরতে পারলে তিন বছরে এই খাত থেকে পাকিস্তানের আয় দাঁড়াবে ১০০ কোটি ডলার। যেখানে গোটা আন্তর্জাতিক বাজারের আকার এখন ২৫ হাজার কোটি ডলার।’

পাকিস্তানে বসবাসরত জার্মান পরিবেশবিদ হেলগা আহমেদ বলেন, ‘গাঁজা এমনকি খারাপ আবহাওয়াতেও সহজে চাষ করা সম্ভব। এর উৎপাদনে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন নেই, যার কারণে এটি পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ৷। এমনকি অল্প জমিতেও এটি যথেষ্ট জন্মে এবং তুলার চাষের চেয়ে কম পানির প্রয়োজন হয়।’

প্রসঙ্গত, অ্যালকোহলের বিষয়ে রক্ষণশীল হলেও পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যানাবিস বা গাঁজা উন্মুক্তভাবেই চাষ এবং বেচা-কেনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী অনেক আগে থেকেই গাঁজা চাষ করছে। সেসব ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও কার্যকর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের পরিকল্পনা পাকিস্তানের

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

২০২৪ সালের মধ্যে গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের ভবিষ্যৎ দেখছে পাকিস্তান সরকার। ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপক চাহিদার জন্য চলতি বছর সেপ্টেম্বরে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইমরান খানের প্রশাসন।

গাঁজা অনেকের কাছে মাদক হিসেবে পরিচিত হলেও যুগ যুগ ধরে চিকিৎসাশাস্রে ব্যবহার হচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল মার্কেট ইনসাইটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে গাঁজার বৈধ বাজারের আকার ৫৯ হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে।

সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর এক জরিপের মাধ্যমে গাঁজাকে কঠিন মাদকের তালিকা থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে জাতিসংঘকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল।

গত কয়েক বছর ধরে লোকসানের মুখে আছে পাকিস্তানের অর্থনীতি। রপ্তানির ৬৪ ভাগ যেই তুলা থেকে আসে ২০১৯ সালে তার উৎপাদন ২০ ভাগ কমেছে। তাই সেই জায়গায় গাঁজা চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে দেশটির সরকার।

দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের একটি অংশ ধরতে পারলে তিন বছরে এই খাত থেকে পাকিস্তানের আয় দাঁড়াবে ১০০ কোটি ডলার। যেখানে গোটা আন্তর্জাতিক বাজারের আকার এখন ২৫ হাজার কোটি ডলার।’

পাকিস্তানে বসবাসরত জার্মান পরিবেশবিদ হেলগা আহমেদ বলেন, ‘গাঁজা এমনকি খারাপ আবহাওয়াতেও সহজে চাষ করা সম্ভব। এর উৎপাদনে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন নেই, যার কারণে এটি পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ৷। এমনকি অল্প জমিতেও এটি যথেষ্ট জন্মে এবং তুলার চাষের চেয়ে কম পানির প্রয়োজন হয়।’

প্রসঙ্গত, অ্যালকোহলের বিষয়ে রক্ষণশীল হলেও পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যানাবিস বা গাঁজা উন্মুক্তভাবেই চাষ এবং বেচা-কেনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী অনেক আগে থেকেই গাঁজা চাষ করছে। সেসব ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও কার্যকর।