ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

তিউনিসিয়া উপকূলে ২১০ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

তিউনিসিয়ার উপকূলে একটি মরদেহ উদ্ধার করছে কোস্টগার্ড ছবি: রয়টার্স

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অল্প সময়ে এত মৃত্যুর ঘটনা নজিরবিহীন

 

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর পারি দিয়ে ইউরোপে পৌছানোর একটা পরিচিত পথ ছিল। কিন্তু সাগরের একের পর এক বড় ধরণের নৌকা ডুবির ঘটনায় লিবিয়ার কড়াকড়ির পর প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে পরিচিতি পায় তিউনেসিয়া।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিউনিসিয়া থেকে সাগরপথে ইতালিতে পাড়ি জমানো হার আশংকাজনকভাবে বেড়েছে। অভিবাসন প্রত্যাশীদের বেশিরভাগই সাব-সাহারান আফ্রিকা, সিরিয়া এবং সুদানের নাগরিক।

গত ১০ দিনে ২১০টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে দেশটির কোস্টগার্ড। সবশেষ ৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার হয় উপকূল থেকে। কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা হুসেম এডদিন জেবালি শুক্রবার বলেন, মৃতদেহগুলো পচে যাওয়া অবস্থায় ছিল। এ থেকে বোঝা যায় যে তারা বেশ কয়েক দিন ধরে পানিতে ছিল।

এত অল্প সময়ে এত মৃত্যুর ঘটনা নজিরবিহীন। উপকূল থেকে তিউনিসিয়া সরকার যখন অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন মরদেহ করব দেওয়ার জায়গার সংকটে আছে মর্গগুলো। কর্তৃপক্ষ বলছে, কবর দেওয়ার জন্য জায়গা দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

কর্মকর্তা ফৌজি মাসমুদি বলেন, মঙ্গলবার আমাদের কাছে হাসপাতালের ধারণক্ষমতার বাইরে ২০০ টিরও বেশি মৃতদেহ ছিল, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, অনেক মরদেহ একসঙ্গে তীরে আসায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা জানি না তারা কারা বা তারা কোন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছে। তবে সংখ্যা বাড়ছেই। হাসপাতালের চাপ কমাতে প্রায় প্রতিদিনই আমাদের শেষকৃত্য করতে হচ্ছে।

গত ২০ এপ্রিল কমপক্ষে ৩০ জনকে সমাহিত করা হয়েছিল। কয়েকদিন পর সাগর থেকে আরও অনেক মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিউনিসিয়ান ফোরাম ফর ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রাইটস (এফটিডিইএস) এর রমধনে বেন আমোরের মতে, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত কমপক্ষে ২২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আছেন অনেকে। তাদের বেশিরভাগই সাব-সাহারান আফ্রিকার নাগরিক। সূত্র: আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তিউনিসিয়া উপকূলে ২১০ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

অল্প সময়ে এত মৃত্যুর ঘটনা নজিরবিহীন

 

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর পারি দিয়ে ইউরোপে পৌছানোর একটা পরিচিত পথ ছিল। কিন্তু সাগরের একের পর এক বড় ধরণের নৌকা ডুবির ঘটনায় লিবিয়ার কড়াকড়ির পর প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে পরিচিতি পায় তিউনেসিয়া।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিউনিসিয়া থেকে সাগরপথে ইতালিতে পাড়ি জমানো হার আশংকাজনকভাবে বেড়েছে। অভিবাসন প্রত্যাশীদের বেশিরভাগই সাব-সাহারান আফ্রিকা, সিরিয়া এবং সুদানের নাগরিক।

গত ১০ দিনে ২১০টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে দেশটির কোস্টগার্ড। সবশেষ ৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার হয় উপকূল থেকে। কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা হুসেম এডদিন জেবালি শুক্রবার বলেন, মৃতদেহগুলো পচে যাওয়া অবস্থায় ছিল। এ থেকে বোঝা যায় যে তারা বেশ কয়েক দিন ধরে পানিতে ছিল।

এত অল্প সময়ে এত মৃত্যুর ঘটনা নজিরবিহীন। উপকূল থেকে তিউনিসিয়া সরকার যখন অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন মরদেহ করব দেওয়ার জায়গার সংকটে আছে মর্গগুলো। কর্তৃপক্ষ বলছে, কবর দেওয়ার জন্য জায়গা দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

কর্মকর্তা ফৌজি মাসমুদি বলেন, মঙ্গলবার আমাদের কাছে হাসপাতালের ধারণক্ষমতার বাইরে ২০০ টিরও বেশি মৃতদেহ ছিল, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, অনেক মরদেহ একসঙ্গে তীরে আসায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা জানি না তারা কারা বা তারা কোন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছে। তবে সংখ্যা বাড়ছেই। হাসপাতালের চাপ কমাতে প্রায় প্রতিদিনই আমাদের শেষকৃত্য করতে হচ্ছে।

গত ২০ এপ্রিল কমপক্ষে ৩০ জনকে সমাহিত করা হয়েছিল। কয়েকদিন পর সাগর থেকে আরও অনেক মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিউনিসিয়ান ফোরাম ফর ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রাইটস (এফটিডিইএস) এর রমধনে বেন আমোরের মতে, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত কমপক্ষে ২২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আছেন অনেকে। তাদের বেশিরভাগই সাব-সাহারান আফ্রিকার নাগরিক। সূত্র: আল জাজিরা