Padma Bridge : পদ্মা সেতু ১১ কোটি টাকা টোল আদায়
- আপডেট সময় : ০৭:১০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ জুলাই ২০২২ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
উন্মত্ত পদ্মায় উড়ছে ‘উন্নয়নের শঙ্কচিল’। সেতুটি বাংলাদেশ ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাই আমূল বদলে দেবে না, বদলে দেবে সেখানের অর্থনৈতিক গতি। সেতু ঘিরে অর্থনৈতিক অঞ্চল, পর্যটন, ইকোপার্কের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে শুরুতেই। উঁকি দিচ্ছে হিমায়িত মৎস্য ও পাটশিল্পের নতুন সম্ভাবনা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।
পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসার অপেক্ষায়। সেতুর উপর নির্ভরতা বাড়বে উত্তরপূর্ব ভারতেরও। পদ্মা সেতুর মূল্যায়ন নিয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে এডিবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বাড়বে। একই প্রবৃদ্ধির কথা বলেছে সেতু বিভাগও। সেতুর কারণে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়াবে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে পদ্মা সেতুর কারণে জিডিপিতে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার যোগ হবে, যা সেতুটির ব্যয়ের প্রায় তিনগুণ বেশি। পদ্মা সেতুতে তিনদিনে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শনিবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এ টোল আদায় হয়। এ সময়ে মোট ৭৪ হাজার ২২২টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ রবিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতুতে ২২ হাজার ৭০৩টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৬৫০ টাকা। শুক্রবার ৩১ হাজার ৭২৩টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। শুক্রবার ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫০ টাকার টোল আদায় হয়। সেতু চালু হওয়ার পর এক দিনে সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকার টোল আদায়ের রেকর্ড।
শনিবার ১৯ হাজার ৭৯৬টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩০০ টাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিন যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। ২৬ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।




















