ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা ৫০ হাজার কোটি টাকার পোলট্রি খাত ঝুঁকিতে, খামারিদের রক্ষায় ৬ দফা দাবি পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি

ভারতের সমুদ্রযাত্রা: লোথাল থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি’ বিষয় নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন তিনি। বৈঠকে সমুদ্র নিরাপত্তা ইস্যুতে বিভিন্ন উন্মুক্ত আলোচনা হয়।

এরপর ১৫ সদস্যদের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সবার সর্বসম্মতিক্রমে সমুদ্র নিরাপত্তা বিষয়ক একটি প্রেসিডেন্সিয়াল রেজ্যুলেশন পাশ হয়।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমুদ্র বাণিজ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, আমাদের সমুদ্রের পরিবেশ নিজেদেরই বাঁচাতে হবে। আর সেই জন্য প্রথমেই প্ল্যাস্টিক বর্জ্য বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরার প্রবণতাও কমিয়ে আনতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমুদ্র যোগাযোগ বাড়াতে হবে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ই দ্য রিজিওন (সাগর)’ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল সমুদ্র অঞ্চল তৈরি করা জরুরি। সেক্ষেত্রে ভারতের ‘সাগর’ পরিকল্পনা ভারতীয় সমুদ্র নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। আর ২০১৫ সাল থেকে এই বিষয়টি সিয়ে কাজ করছে ভারত।

সামুদ্র নিরাপত্তা বিষয়ে পাঁচটি মূল নীতির কথা উল্লেখ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, মহাসাগর ভাগ করা একটি ঐতিহ্য। এটি ভবিষ্যতে সমুদ্রপথ আর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লাইফলাইন হতে পারে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যাতে সমুদ্র পথ ব্যবহার করা না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে গোপনীয়তা বজায় রাখার কথাও বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি শীর্ষক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্সিয়াল রেজ্যুলেশন পাশ হওয়ায় বিশ্বে ভারতের অবস্থান বেড়েছে। এর মাধ্যমে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

এদিকে ভারতীয় নৌবাহিনী জলদস্যুতা বিরোধী অভিযান জোরদার করেছে, পাশাপাশি অংশীদার দেশগুলিকে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করছে। সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ একটি নতুন উদ্যোগ। এতে শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসের সাহায্যের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে ভারত। সূত্র: ইকোনোমিক টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের সমুদ্রযাত্রা: লোথাল থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ

আপডেট সময় : ০৯:২৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি’ বিষয় নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন তিনি। বৈঠকে সমুদ্র নিরাপত্তা ইস্যুতে বিভিন্ন উন্মুক্ত আলোচনা হয়।

এরপর ১৫ সদস্যদের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সবার সর্বসম্মতিক্রমে সমুদ্র নিরাপত্তা বিষয়ক একটি প্রেসিডেন্সিয়াল রেজ্যুলেশন পাশ হয়।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমুদ্র বাণিজ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, আমাদের সমুদ্রের পরিবেশ নিজেদেরই বাঁচাতে হবে। আর সেই জন্য প্রথমেই প্ল্যাস্টিক বর্জ্য বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরার প্রবণতাও কমিয়ে আনতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমুদ্র যোগাযোগ বাড়াতে হবে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ই দ্য রিজিওন (সাগর)’ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল সমুদ্র অঞ্চল তৈরি করা জরুরি। সেক্ষেত্রে ভারতের ‘সাগর’ পরিকল্পনা ভারতীয় সমুদ্র নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। আর ২০১৫ সাল থেকে এই বিষয়টি সিয়ে কাজ করছে ভারত।

সামুদ্র নিরাপত্তা বিষয়ে পাঁচটি মূল নীতির কথা উল্লেখ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, মহাসাগর ভাগ করা একটি ঐতিহ্য। এটি ভবিষ্যতে সমুদ্রপথ আর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লাইফলাইন হতে পারে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যাতে সমুদ্র পথ ব্যবহার করা না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে গোপনীয়তা বজায় রাখার কথাও বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি শীর্ষক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্সিয়াল রেজ্যুলেশন পাশ হওয়ায় বিশ্বে ভারতের অবস্থান বেড়েছে। এর মাধ্যমে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

এদিকে ভারতীয় নৌবাহিনী জলদস্যুতা বিরোধী অভিযান জোরদার করেছে, পাশাপাশি অংশীদার দেশগুলিকে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করছে। সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ একটি নতুন উদ্যোগ। এতে শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসের সাহায্যের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে ভারত। সূত্র: ইকোনোমিক টাইমস