ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

সিনোফার্মের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনের চুক্তি করছে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে’ ড. এ কে আবদুল মোমেন’ 

বাংলাদেশের একটি ফার্মাসিউটিক্যালের সঙ্গে সিনোফার্ম যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদন করতে যাচ্ছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী ড. এ কে

আবদুল মোমেন বলেছেন, আমরা ইতিমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

ড. মোমেন বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে।

মোমেন বলেন, চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সঙ্গে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না।

তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে জানান ড. মোমেন।

তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে। কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে। তবে আমরা মস্কোর সঙ্গে সকল প্রচেষ্টা নিয়োজিত রেখেছি।

এর আগে সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। ড. মোমেন বলেন, বৈঠকে চীনা দূত তাকে আশস্ত করেছেন তার

সরকার বাংলাদেশে অব্যাহত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে বিশ্বব্যাপী চীনা ভ্যাকসিনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় তারা আমাদের চাহিদার কথা তাদেরকে আগে-ভাগে জানাতে অনুরোধ করেছে।

এ পর্যন্ত ঢাকা চীনের সিনোফার্মের ৭০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে বিনামূল্যে মডার্না ভ্যাকসিনের ৫৫ লাখ ডোজ টিকা। ড. মোমেন বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশে আরও টিকা পাঠানোর ব্যাপারে ঢাকাকে আশ্বাস দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিনোফার্মের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনের চুক্তি করছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

‘চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে’ ড. এ কে আবদুল মোমেন’ 

বাংলাদেশের একটি ফার্মাসিউটিক্যালের সঙ্গে সিনোফার্ম যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদন করতে যাচ্ছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী ড. এ কে

আবদুল মোমেন বলেছেন, আমরা ইতিমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

ড. মোমেন বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে।

মোমেন বলেন, চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সঙ্গে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না।

তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে জানান ড. মোমেন।

তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে। কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে। তবে আমরা মস্কোর সঙ্গে সকল প্রচেষ্টা নিয়োজিত রেখেছি।

এর আগে সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। ড. মোমেন বলেন, বৈঠকে চীনা দূত তাকে আশস্ত করেছেন তার

সরকার বাংলাদেশে অব্যাহত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে বিশ্বব্যাপী চীনা ভ্যাকসিনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় তারা আমাদের চাহিদার কথা তাদেরকে আগে-ভাগে জানাতে অনুরোধ করেছে।

এ পর্যন্ত ঢাকা চীনের সিনোফার্মের ৭০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে বিনামূল্যে মডার্না ভ্যাকসিনের ৫৫ লাখ ডোজ টিকা। ড. মোমেন বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশে আরও টিকা পাঠানোর ব্যাপারে ঢাকাকে আশ্বাস দিয়েছে।