ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

৭ মিনিটেই ১৫৯ ভরি সোনা চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দোকানের শাটারে একটি লাগিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন বিক্রয়কর্মীরা। বেলা তখন ১টা। ৯জনের একটি চোরের দল আসে দোকানের সামনে। তাদের মধ্যে ৭জনের মুখে মাস্ক এবং দুইজন মাস্ক ছাড়া।

তারা দোকানের সামনে দাড়িয়ে একটি চাদর মেলে ধরে। চাদরের আড়ালে বসে দোকানের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দোকান থেকে ১৫৯ ভরি স্বর্ণ চুরি কওে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঢাকার ধানমন্ডির বিজিবির সীমান্ত স্কয়ার বিপণিবিতানে। আর এই ঘটনার সময় মাত্র ৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড। এর মধ্যে দোকানের ভেতর থেকে প্রায় ১৫৯ ভরি সোনা নিয়ে বেরিয়ে গেলেন চোর চক্রের এক সদস্য।

জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১টা নাগাদ ধানমন্ডি এলাকার সীমান্ত স্কয়ার বিপণিবিতানের ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স সোনার দোকানে এই চুরির ঘটনা। বিপণিবিতানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির এই দৃশ্য ধরা পড়ে। এ ঘটনায় দোকানের মালিক কাজী আকাশ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

পুলিশ বলছে, তারা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখেছে বেলা ১টা ১ মিনিটের দিকে ৯জন লোক দোকানের সামনে আসে। এরপর ৭ মিনিট পর ব্যাগে ভরে সোনা নিয়ে বেরিয়ে যায়। তাদের দুজন বাদে সবার মুখে মাস্ক ছিল। চুরির সঙ্গে বিপণিবিতানের ভেতরের কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলীম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোনার দোকানে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোরদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সীমান্ত স্কয়ারে সোনা ও ডায়মন্ডের তিনটি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স নামের দোকানটি নিচতলায়। এর আশপাশে কাপড় ও প্রসাধনীর দোকান। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ক্রেতা কম ছিল। ক্রেতার বেশে চোর চক্রের সদস্যরা বিপণিবিতানে ঢোকে।

দোকানের মালিক কাজী আকাশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দোকানের শাটারে একটি তালা মেরে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন বিক্রয়কর্মীরা। তখন শাটারের একটি তালা কেটে ভেতরে ঢুকে দোকানে সাজানো সব সোনা চুরি করে চোর নিয়ে যায় তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৭ মিনিটেই ১৫৯ ভরি সোনা চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

 

দোকানের শাটারে একটি লাগিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন বিক্রয়কর্মীরা। বেলা তখন ১টা। ৯জনের একটি চোরের দল আসে দোকানের সামনে। তাদের মধ্যে ৭জনের মুখে মাস্ক এবং দুইজন মাস্ক ছাড়া।

তারা দোকানের সামনে দাড়িয়ে একটি চাদর মেলে ধরে। চাদরের আড়ালে বসে দোকানের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দোকান থেকে ১৫৯ ভরি স্বর্ণ চুরি কওে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঢাকার ধানমন্ডির বিজিবির সীমান্ত স্কয়ার বিপণিবিতানে। আর এই ঘটনার সময় মাত্র ৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড। এর মধ্যে দোকানের ভেতর থেকে প্রায় ১৫৯ ভরি সোনা নিয়ে বেরিয়ে গেলেন চোর চক্রের এক সদস্য।

জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১টা নাগাদ ধানমন্ডি এলাকার সীমান্ত স্কয়ার বিপণিবিতানের ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স সোনার দোকানে এই চুরির ঘটনা। বিপণিবিতানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির এই দৃশ্য ধরা পড়ে। এ ঘটনায় দোকানের মালিক কাজী আকাশ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

পুলিশ বলছে, তারা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখেছে বেলা ১টা ১ মিনিটের দিকে ৯জন লোক দোকানের সামনে আসে। এরপর ৭ মিনিট পর ব্যাগে ভরে সোনা নিয়ে বেরিয়ে যায়। তাদের দুজন বাদে সবার মুখে মাস্ক ছিল। চুরির সঙ্গে বিপণিবিতানের ভেতরের কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলীম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোনার দোকানে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোরদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সীমান্ত স্কয়ারে সোনা ও ডায়মন্ডের তিনটি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স নামের দোকানটি নিচতলায়। এর আশপাশে কাপড় ও প্রসাধনীর দোকান। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ক্রেতা কম ছিল। ক্রেতার বেশে চোর চক্রের সদস্যরা বিপণিবিতানে ঢোকে।

দোকানের মালিক কাজী আকাশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দোকানের শাটারে একটি তালা মেরে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন বিক্রয়কর্মীরা। তখন শাটারের একটি তালা কেটে ভেতরে ঢুকে দোকানে সাজানো সব সোনা চুরি করে চোর নিয়ে যায় তারা।