ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

সিনোফার্মের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনের চুক্তি করছে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ ২৫০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে’ ড. এ কে আবদুল মোমেন’ 

বাংলাদেশের একটি ফার্মাসিউটিক্যালের সঙ্গে সিনোফার্ম যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদন করতে যাচ্ছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী ড. এ কে

আবদুল মোমেন বলেছেন, আমরা ইতিমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

ড. মোমেন বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে।

মোমেন বলেন, চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সঙ্গে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না।

তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে জানান ড. মোমেন।

তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে। কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে। তবে আমরা মস্কোর সঙ্গে সকল প্রচেষ্টা নিয়োজিত রেখেছি।

এর আগে সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। ড. মোমেন বলেন, বৈঠকে চীনা দূত তাকে আশস্ত করেছেন তার

সরকার বাংলাদেশে অব্যাহত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে বিশ্বব্যাপী চীনা ভ্যাকসিনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় তারা আমাদের চাহিদার কথা তাদেরকে আগে-ভাগে জানাতে অনুরোধ করেছে।

এ পর্যন্ত ঢাকা চীনের সিনোফার্মের ৭০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে বিনামূল্যে মডার্না ভ্যাকসিনের ৫৫ লাখ ডোজ টিকা। ড. মোমেন বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশে আরও টিকা পাঠানোর ব্যাপারে ঢাকাকে আশ্বাস দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিনোফার্মের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনের চুক্তি করছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

‘চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে’ ড. এ কে আবদুল মোমেন’ 

বাংলাদেশের একটি ফার্মাসিউটিক্যালের সঙ্গে সিনোফার্ম যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদন করতে যাচ্ছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী ড. এ কে

আবদুল মোমেন বলেছেন, আমরা ইতিমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

ড. মোমেন বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে।

মোমেন বলেন, চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সঙ্গে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না।

তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে জানান ড. মোমেন।

তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে। কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে। তবে আমরা মস্কোর সঙ্গে সকল প্রচেষ্টা নিয়োজিত রেখেছি।

এর আগে সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। ড. মোমেন বলেন, বৈঠকে চীনা দূত তাকে আশস্ত করেছেন তার

সরকার বাংলাদেশে অব্যাহত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে বিশ্বব্যাপী চীনা ভ্যাকসিনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় তারা আমাদের চাহিদার কথা তাদেরকে আগে-ভাগে জানাতে অনুরোধ করেছে।

এ পর্যন্ত ঢাকা চীনের সিনোফার্মের ৭০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে বিনামূল্যে মডার্না ভ্যাকসিনের ৫৫ লাখ ডোজ টিকা। ড. মোমেন বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশে আরও টিকা পাঠানোর ব্যাপারে ঢাকাকে আশ্বাস দিয়েছে।