ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Sheikh Hasina : দেশে অনির্বাচিত সরকার আসলে সংবিধান অশুদ্ধ হবে , বইমেলার উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা  Underground railway : পাতাল রেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ঘিরে সেজেছে পূর্বাঞ্চল Remittance : বছরের শুরুতেই প্রকাসী আয়ের মাথা উঁচু উপস্থিতি Fire at Mongla EPZ : মোংলা ইপিজেডে ব্যাগ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি Judgment in Bengal : ভাষা শহীদদের সম্মানে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট Taslima Nasreen : বাঙালিরা আমার যত সর্বনাশ করেছে তত আর কেউ করেনি, বললেন তসলিমা February : ভাষা মাস ‘ফেব্রুয়ারি’ Obaidul Quader : বিএনপির দম ফুরানো নীরব পদযাত্রা: ওবায়দুল কাদের Constitution  :  সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধভাবে  ক্ষমতা দখল বন্ধ করেছে: শেখ হাসিনা  Missile  : মিসাইল ফায়ারিং যুগে বাংলাদেশ

RMG : তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ফের দ্বিতীয় বাংলাদেশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

পোশাক কারখানায় ব্যস্ত কর্মীরা : ছবি সংগ্রহ

ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ৮ মাসে প্রবৃদ্ধি ৪৫%

‘ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। এ বছরের আট মাসে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয় ৪৫.২৬ শতাংশ। আয় হয়েছে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

অতিমারিতেও পোশাক রপ্তানিতে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটেও সে ধারা অব্যাহত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ২০২২ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ২০২০ সালে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দিয়েছিল।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ২০২১ সালে ভিয়েতনামের হিস্যা কমে ৫.৮০% বাংলাদেশের হিস্যা বেড়ে গিয়ে ৬.৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনাম ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে আসে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ ৬.৩০ শতাংশ থেকে ২১-এ ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডাব্লিউটিওর পর্যালোচনায় বলছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ। ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে চীনের অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডাব্লিউটিওর প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং প্রযুক্তিগতভাবে বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ। তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপর রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও পাকিস্তান।

ডাব্লিউটিওর পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ৮ মাসে প্রবৃদ্ধি ৪৫% : ইউরোপীয় পরিসংখ্যান দপ্তর ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুসারে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। এ বছরের আট মাসে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয় ৪৫.২৬ শতাংশ। আয় হয়েছে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার।

তথ্য অনুসারে, এই সময়ে ইউরোপ সর্বোচ্চ আমদানি করেছে ছয় হাজার ৭১৮ কোটি (৬৭.১৮ বিলিয়ন) ডলার। উল্লিখিত সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার (১৫.৩৭ বিলিয়ন) মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে।

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Sheikh Hasina : দেশে অনির্বাচিত সরকার আসলে সংবিধান অশুদ্ধ হবে , বইমেলার উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা 

Home
Account
Cart
Search

RMG : তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ফের দ্বিতীয় বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ৮ মাসে প্রবৃদ্ধি ৪৫%

‘ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। এ বছরের আট মাসে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয় ৪৫.২৬ শতাংশ। আয় হয়েছে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

অতিমারিতেও পোশাক রপ্তানিতে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটেও সে ধারা অব্যাহত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ২০২২ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ২০২০ সালে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দিয়েছিল।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ২০২১ সালে ভিয়েতনামের হিস্যা কমে ৫.৮০% বাংলাদেশের হিস্যা বেড়ে গিয়ে ৬.৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনাম ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে আসে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ ৬.৩০ শতাংশ থেকে ২১-এ ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডাব্লিউটিওর পর্যালোচনায় বলছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ। ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে চীনের অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডাব্লিউটিওর প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং প্রযুক্তিগতভাবে বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ। তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপর রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও পাকিস্তান।

ডাব্লিউটিওর পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ৮ মাসে প্রবৃদ্ধি ৪৫% : ইউরোপীয় পরিসংখ্যান দপ্তর ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুসারে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। এ বছরের আট মাসে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয় ৪৫.২৬ শতাংশ। আয় হয়েছে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার।

তথ্য অনুসারে, এই সময়ে ইউরোপ সর্বোচ্চ আমদানি করেছে ছয় হাজার ৭১৮ কোটি (৬৭.১৮ বিলিয়ন) ডলার। উল্লিখিত সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ৫৩৭ কোটি ডলার (১৫.৩৭ বিলিয়ন) মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে।