রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

উত্তরবঙ্গের হাসপাতালে ঠাঁই নেই!

ভয়েস রিপোর্ট
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৬৮ Time View

উত্তর জনপদের হাসপাতালগুলো করোনা আক্রান্ত রোগীতে ঠাঁসা! নতুন রোগীদের সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে আমরা চাই না ঢাকা ও দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে এমন সমস্যা দেখা দিক। শুক্রবার নিজ নির্বাচনী এলাকা মানিকগঞ্জে সাংবাদিকদের একথা বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এসময় তিনি আরও বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন হাসপাতালে মাত্র ১৫শ’র মতো রোগী ছিল। যেই সংক্রমণ বেড়ে গেলো এমনি হু হু করে সারাদেশে ৪ হাজারের মতো রোগী হাসপাতালে ভর্তি।

স্বাস্থ্য বলেন, এখানেই শেষ নয়, প্রতিটি দিন প্রায় ৪ হাজারের কাছাকাছি নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই হারে যদি রোগী বাড়তে থাকলে, হাসপাতালে করোনা রোগীর জায়গা দেওয়া কঠিন হবে।

নিজ বাসভবনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ডেলটা ভেরিয়েন্ট আমাদের দেশেও এসেছে। এর সংক্রমণের ক্ষমতা ৫০ ভাগের বেশি। কাজেই এই সময়টা আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নিজেদের রক্ষা করতে হবে, পরিবারকে রক্ষা করতে হবে, দেশকে রক্ষা করতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে টিকা কর্মসূচি এখনো পুরোপুরিভাবে চালু করতে পারিনি। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই টিকা পেয়ে যাব। চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে টিকা পাব এবং ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে সেখান থেকেও পাব। কিন্তু এখনো তা পাওয়া যায়নি। টিকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু একজন মানুষ সুরক্ষা হয় না, তারও এক মাস সময় লাগে।

যে সমস্ত দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে নেই বা ছিল না সেই সমস্ত দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো ভালো অবস্থানে। এখনো লোকজন কাজ করছে। কিন্তু করোনা যদি বৃদ্ধি পেয়ে যায়, তাহলে যে লকডাউন করতে হচ্ছে।

যদি আরও লকডাউনে যেতে হয়, যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তাহলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণেই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চলতে বার বার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223