ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০২২ সালে চালু হচ্ছে পদ্মা সেতু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

স্রোতস্বীনি পদ্মায় গড়ে ওঠেছে পদ্মা সেতু। এ এক মহাস্বপ্নের  বাস্তায়ন। তাও আবার বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে। বুকের রক্তে ভাষা ও স্বাধীনতা অর্জন করা দেশটির নাম বাংলাদেশ। আর পতাকা ‘লালসবুজে’ খচিত! দিগন্ত প্রসারিত সবুজ ফসলের মাঠ জুড়ে সোনা রঙের ধান নববধূর মতো হেলেধুলে মুসকি হাসে।

এই বাংলাজুড়ে এখন কংক্রিটের রাজপথ। মেঠো পথ কোথায় উদাও। গ্রাম খুঁজেতে এখন রীতিমত ভ্রমণে বেরুতে হয়। ৭১’র বাংলাদেশের বয়স ৫০ বছর। অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন। স্যাটেলাইন, সাবমেরিনের মালিক। সেই সঙ্গে পদ্মার সেতুর মালিক। অহংকার নয়। অর্জন।

আর এই অর্জন যার হাত ধরে এসছে, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতু যান চলাচলের উন্মুক্ত হবে ২২২২ সালের জুন মাসে। এটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চল, খুলনা, যশোর, বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকার লাখো মানুষের সহজ চলাচল হাতের নাগালে চলে আসবে।

এরই মধ্যে  মূল পদ্মা সেতুর অগ্রগতি শতকরা ৯৩ ভাগ ও নদীশাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮২ ভাগসহ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৫ ভাগ এবং ২০২২ সালের জুন নাগাদ পদ্মা সেতু যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

বুধবার  এমনটিই প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  ভিডিও কনফারেন্সে খুলনা সড়ক জোন, বিআরটিএ  এবং বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

এসময়ে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বর্ষার সময় চলমান কাজ তদারকির পাশাপাশি নতুন প্রকল্পের টেন্ডার আহ্বানসহ প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন।  খুলনা-মোংলা সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা পোর্টের কারণে এ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা খুবই জরুরি। সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরুর লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

একটি উন্নয়নবান্ধব সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে প্রকৌশলীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের দক্ষতা এবং মেধার সাথে সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম যুক্ত হলে উত্তম সমন্বয় গড়ে উঠবে, অপচয় কমবে এবং শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন সহজতর হবে।’

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুস সবুর, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আসলাম আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বিভিন্ন সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী-সহ বিআরটিএ এবং বিআরটিসির কর্মকর্তারা সভায় যুক্ত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০২২ সালে চালু হচ্ছে পদ্মা সেতু

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

স্রোতস্বীনি পদ্মায় গড়ে ওঠেছে পদ্মা সেতু। এ এক মহাস্বপ্নের  বাস্তায়ন। তাও আবার বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে। বুকের রক্তে ভাষা ও স্বাধীনতা অর্জন করা দেশটির নাম বাংলাদেশ। আর পতাকা ‘লালসবুজে’ খচিত! দিগন্ত প্রসারিত সবুজ ফসলের মাঠ জুড়ে সোনা রঙের ধান নববধূর মতো হেলেধুলে মুসকি হাসে।

এই বাংলাজুড়ে এখন কংক্রিটের রাজপথ। মেঠো পথ কোথায় উদাও। গ্রাম খুঁজেতে এখন রীতিমত ভ্রমণে বেরুতে হয়। ৭১’র বাংলাদেশের বয়স ৫০ বছর। অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন। স্যাটেলাইন, সাবমেরিনের মালিক। সেই সঙ্গে পদ্মার সেতুর মালিক। অহংকার নয়। অর্জন।

আর এই অর্জন যার হাত ধরে এসছে, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতু যান চলাচলের উন্মুক্ত হবে ২২২২ সালের জুন মাসে। এটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চল, খুলনা, যশোর, বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকার লাখো মানুষের সহজ চলাচল হাতের নাগালে চলে আসবে।

এরই মধ্যে  মূল পদ্মা সেতুর অগ্রগতি শতকরা ৯৩ ভাগ ও নদীশাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮২ ভাগসহ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৫ ভাগ এবং ২০২২ সালের জুন নাগাদ পদ্মা সেতু যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

বুধবার  এমনটিই প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  ভিডিও কনফারেন্সে খুলনা সড়ক জোন, বিআরটিএ  এবং বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

এসময়ে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বর্ষার সময় চলমান কাজ তদারকির পাশাপাশি নতুন প্রকল্পের টেন্ডার আহ্বানসহ প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন।  খুলনা-মোংলা সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা পোর্টের কারণে এ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা খুবই জরুরি। সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরুর লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

একটি উন্নয়নবান্ধব সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে প্রকৌশলীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের দক্ষতা এবং মেধার সাথে সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম যুক্ত হলে উত্তম সমন্বয় গড়ে উঠবে, অপচয় কমবে এবং শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন সহজতর হবে।’

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুস সবুর, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আসলাম আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বিভিন্ন সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী-সহ বিআরটিএ এবং বিআরটিসির কর্মকর্তারা সভায় যুক্ত ছিলেন।