ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নে ঠিকানায় একসঙ্গে ৪ সমাধি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ৯২ বার পড়া হয়েছে

রবিবার বাবা, দুই বোন ও দাদির সমাধির সামনে দাঁড়িয় আছে পরিবারের বেঁচে যাওয়া একমাত্র শিশু মারুফা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রবিবার বাবা, দুই বোন ও দাদির সমাধির সামনে দাঁড়িয় আছে পরিবারের বেঁচে যাওয়া একমাত্র শিশু মারুফা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জামাল উদ্দিন ও মরিয়ম আক্তার বহু কষ্টে টাকা জমিয়ে বাড়ি তৈরি করতে আট শতক জমি কিনেছিলেন। জমির এক পাশে টিনের একচালা ঘরে তিন মেয়ে ও মাকে নিয়ে বসবাস করছিলেন জামাল।

বাড়ি করার বুক ভরা আশা তাদেরে পূরণ হয়নি। একচালা ঘরে বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে জামালসহ পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু ঘটে। আর সেই জমিতেই রবিবার সকালে তাদের দাফন করা হয়।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বীর ঘোষপালা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন জামাল উদ্দিন। পেশায় অটোচালক। শনিবার বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জামাল উদ্দিন (৪০), তার মা আনোয়ারা বেগম (৭০) এবং জামালের দুই মেয়ে ফাইজা মনি (৭) ও আনিকার মৃত্যু (৫) হয়।

জামাল উদ্দিনের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি করেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। স্বামী-সন্তানদের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি আসেন পৌছেন।

সেই থেকে সব হারানো মরিয়ম কেঁদে চলেছেন। স্বামী-স্ত্রীর আয় দিয়ে জমি কিনেছিলেন। সেই জমিতে বাড়ি বানাতে পারেননিমরিয়ম। এটাই বড় আক্ষেপ তার।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বপ্নে ঠিকানায় একসঙ্গে ৪ সমাধি!

আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩

 

রবিবার বাবা, দুই বোন ও দাদির সমাধির সামনে দাঁড়িয় আছে পরিবারের বেঁচে যাওয়া একমাত্র শিশু মারুফা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জামাল উদ্দিন ও মরিয়ম আক্তার বহু কষ্টে টাকা জমিয়ে বাড়ি তৈরি করতে আট শতক জমি কিনেছিলেন। জমির এক পাশে টিনের একচালা ঘরে তিন মেয়ে ও মাকে নিয়ে বসবাস করছিলেন জামাল।

বাড়ি করার বুক ভরা আশা তাদেরে পূরণ হয়নি। একচালা ঘরে বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে জামালসহ পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু ঘটে। আর সেই জমিতেই রবিবার সকালে তাদের দাফন করা হয়।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বীর ঘোষপালা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন জামাল উদ্দিন। পেশায় অটোচালক। শনিবার বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জামাল উদ্দিন (৪০), তার মা আনোয়ারা বেগম (৭০) এবং জামালের দুই মেয়ে ফাইজা মনি (৭) ও আনিকার মৃত্যু (৫) হয়।

জামাল উদ্দিনের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি করেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। স্বামী-সন্তানদের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি আসেন পৌছেন।

সেই থেকে সব হারানো মরিয়ম কেঁদে চলেছেন। স্বামী-স্ত্রীর আয় দিয়ে জমি কিনেছিলেন। সেই জমিতে বাড়ি বানাতে পারেননিমরিয়ম। এটাই বড় আক্ষেপ তার।