ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে, অধিকাংশ শর্তে একমত বাংলাদেশ সৌদির কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, ২ বাংলাদেশিসহ নিহত  ১২ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়, সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী ঘটেছে তাঁকে ঘিরে এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষার সুযোগ বিবেচনা করছে সরকার: মাহদী আমিন অনলাইন চাকরির প্রলোভনে ব্যবসায়ীর ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তরুণী গ্রেপ্তার শেরপুরের ৫৫ বছরেও সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নেই, দুর্ভোগে ১৫ হাজার মানুষ হাতি সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে কমবে মানুষ-হাতি সংঘাত: পরিবেশমন্ত্রী

সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন ২০২৬ পাস

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন ২০২৬ পাস

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা প্রদান ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়।

বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

বিলের সংজ্ঞা অংশে বলা হয়েছে,  “গণঅভ্যুত্থানকারী” বলতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিকে বোঝাবে। “কমিশন” বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ করবে। “জুলাই গণঅভ্যুত্থান” বলতে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া “বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার” বলতে রাজনৈতিক প্রতিরোধের আড়ালে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে এবং “রাজনৈতিক প্রতিরোধ” বলতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, অন্য কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে এ আইনের বিধানই প্রাধান্য পাবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিধান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে। একই সঙ্গে, এ সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলা দায়ের আইনত নিষিদ্ধ থাকবে, যা সংশ্লিষ্ট ধারার শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।

আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। ওই সময় সশস্ত্র হামলা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের আত্মরক্ষামূলক কার্যক্রমকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়।

এই প্রেক্ষাপটে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন ২০২৬ পাস

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা প্রদান ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়।

বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

বিলের সংজ্ঞা অংশে বলা হয়েছে,  “গণঅভ্যুত্থানকারী” বলতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিকে বোঝাবে। “কমিশন” বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ করবে। “জুলাই গণঅভ্যুত্থান” বলতে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া “বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার” বলতে রাজনৈতিক প্রতিরোধের আড়ালে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে এবং “রাজনৈতিক প্রতিরোধ” বলতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, অন্য কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে এ আইনের বিধানই প্রাধান্য পাবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিধান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে। একই সঙ্গে, এ সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলা দায়ের আইনত নিষিদ্ধ থাকবে, যা সংশ্লিষ্ট ধারার শর্তসাপেক্ষে কার্যকর হবে।

আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। ওই সময় সশস্ত্র হামলা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের আত্মরক্ষামূলক কার্যক্রমকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়।

এই প্রেক্ষাপটে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।