বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

সীমান্ত সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন অসম পুলিশের ৬ সদস্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
  • ৬৩ Time View

সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: টুইটার

“ মঙ্গলবার  অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  লায়লাপুর কান্ডে আহতদের খোঁজখবর নিতে শিলচর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ছুটে যান”

ভারতের উত্তর-পূর্বের অসম-মিজোরাম সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘ দিনই চলে আসছিলো। সোমবার গড়ায় রক্তক্ষযী সংঘর্ষে। দুই রাজ্যের সংঘর্ষে অসমের ৬ পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহতর সংখ্যা অন্তত ৬০ জন। তারা সবাই অসমীয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আন্তঃরাজ্য সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তিতে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের দু’দিনের মাথায় ঘটনা।

আহত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সদস্য

আহতদের তালিকায় রয়েছেন, অসমের কাছাড় জেলার পুলিশ সুপার নিম্বলকর বৈভব চন্দ্রকান্ত এবং জেলার ধোলাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

ঘটনার পর  ‘সোমবার সন্ধ্যায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা টুইট করেছেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আসাম-মিজোরাম সীমান্তে আমাদের রাজ্যের সাংবিধানিক সীমানা রক্ষায় ৬ জন সাহসী সেনা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’

জানা গিয়েছে, সোমবার লায়লাপুর সীমানার কাছে মিজোরামের দিক থেকে সীমানা পেরিয়ে অসমের দিকে আসছিলেন অসমেরই সরকারি আধিকারিকরা। তাদের দিকে হঠাৎই ইট, পাথর ছুড়তে শুরু করে স্থানীয় জনতা। সঙ্গে সঙ্গে সীমানায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে অসম

সরকার। টুইট করেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

একদিকে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা লেখেন, অমিত শাহজি, দয়া করে বিষয়টি দেখবেন। এসব এখনই বন্ধ করা দরকার।

অন্যদিকে এভাবে সরকার চালাবেন কী করে এই প্রশ্ন তুলে অমিত শাহ-কে ট্যাগ করে একটি টুইট করেন হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। পাশাপাশি তারা দু’জনেই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

এর আগে জুন মাসেও সীমানা নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিল দুই রাজ্য। সে বারেও তৈরি হয়েছিল উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

স্থানীয় সংবাদমের খবরে বলা হয়েছে,  সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ লায়লাপুর এলাকা থেকে  মিজোদের উচ্ছেদ করতে গেলেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।   একজন সাধারণ নাগরিকও প্রাণ

হারিয়েছেন।  আহত হয়েছেন প্রায় ৭০ জন। কাছাড়ের পুলিশ সুপার ভৈভব নিম্বালকর চন্দ্রশেখরের পেটে গুলি লেগেছে। এছাড়া ধলাই থানার ওসি সাহাব উদ্দিন লস্কর আহত হয়েছেন।

৪৫ জন আহত পুলিশ কর্মীকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানা গেছে। কাছাড়ের জেলাশাসক কীর্তি জল্লির

গাড়িতেও দুষ্কৃতীরা গুলি করেছে এবং গাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে। অসম মিজোরাম সীমান্তের লায়লাপুর পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত মিজোরামের দুষ্কৃতিরা প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223