শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

ষড়যন্ত্রকারীর বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান ড. মোমেনের

ভয়েস রিপোর্ট
  • Update Time : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯ Time View

ফাইল ছবি

রবিবার বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাৎ বার্ষিকী। দিনটি শ্রদ্ধাবনত মস্তকে পালন করবে গোটা জাতি। এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। এমন অবস্থায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পর্কে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১৫ আগস্টের মত নৃশংস ঘটনা যেন

আর কখনো ঘটতে না পারে। ড. মোমেন বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও থেমে নেই। অথনৈতিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অভাবনীয় সাফল্যের ফলে শত্রুর সংখ্যা বাড়তে পারে এবং তাদের মোকাবিলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার সম্পর্কেও সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন ড. মোমেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি শুক্রবার আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শনিবার বিদেশমন্ত্রক তরফে এসব তথ্য জানানো হয়।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাস্তবসম্মত বিদেশনীতির কারণে বাংলাদেশের বিদেমমন্ত্রক এখনও অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর সব সময় গুরুত্বারোপ করেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও আদর্শ এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও অর্জনের বিষয়ে গবেষণার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান বিদেশমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করার মাধ্যমে আমরা সোনারবাংলা গড়ে তুলতে পারব। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন মানুষের সেবায় একাগ্রচিত্তে নিজেকে নিয়োজিত করেন। মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সকল

ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছেন এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিষ্ঠানিক অর্জনের ওপর জোর দিয়েছেন। মানুষের

প্রতি ভালোবাসার জন্য বঙ্গবন্ধু আমাদের হৃদয়ে অক্ষয় হয়ে আছেন। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি।

১৯২৮ সালে কলকাতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সংবর্ধনা প্রদানের কথা স্মরণ করে ড. মোমেন বলেন, সে অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি বলেছিলেন, বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি কোন

সংগ্রাম করে এবং কিছু অর্জন করতে চায় তবে তারা অবশ্যই তা অর্জন করতে পারবে। সে সময়ের প্রায় ৪৩ বছর পরে স্বাধীন সার্বভৌম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু তা প্রমাণ করেছিলেন।

বিদেশমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়ন তথা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন। বিশ্বে সংঘাত দূর করে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতি চালু করেছেন।

টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে বিশ্বে কেউ উদ্বাস্তু হবে না উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, সম্প্রতি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনন্য মানবিক

গুণাবলীর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং নারী ক্ষমতায়নে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223