ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রেলের ভাড়াও ৬০ শতাংশ বাড়ল ১১ এপ্রিল থেকে আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আসছে ১১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িক বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিসি) মো. নাহিদ হাসান খানের স্বাক্ষর করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেনের টিকিট ইস্যুর ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। বুধবার রেলপথ মন্ত্রকের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দিন দিন দেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুই সপ্তাহের জন্য ৬০ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যা বুধবার থেকে দুই সপ্তাহের জন্য কার্যকর হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে : বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মোট আসনসংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট একই সঙ্গে অনলাইন, মোবাইল অ্যাপ ও কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে অগ্রিম ব্যবস্থাপনায় ইস্যু করা। আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ইস্যু পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা প্রদান ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

টিকিট ইস্যুর উল্লেখিত সংশোধনীগুলো ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে সময়ে সময়ে জারীকৃত টিকিট ইস্যু এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অন্যান্য নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
শরিফুল আলম জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ তারিখ পর্যন্তই রেলের টিকিট বিক্রি করা হবে। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত আসলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ১১ তারিখের পরও সব ধরনের লোকাল ট্রেন চালু থাকবে।

এর আগে সোমবার গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা জারি করে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে করোনা প্রতিরোধে মোট ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে এ কথা বলা হয়। এর আগে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ৩১ মে থেকে গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রাখতে বলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

তখন বাসমালিকদের দাবির মুখে বাসের ভাড়া ৬০ ভাগ বাড়ায় সরকার। এর আগে দীর্ঘদিন গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকে। তবে করোনার সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও বাসের সব সিটে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী জানান, আমাদের সব ট্রেনে আমাদের যে কয়টি আসন আছে, তার অর্ধেক টিকিট বিক্রি হবে। আর আন্তঃনগর ট্রেনের কিছু অগ্রিম টিকেট বিক্রি আছে। তা যদি ৫০ শতাংশের বেশি হয়ে থাকে, তাহলে কিছু করার নেই। কিন্তু এখন থেকে আর ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি করব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রেলের ভাড়াও ৬০ শতাংশ বাড়ল ১১ এপ্রিল থেকে আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আসছে ১১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িক বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিসি) মো. নাহিদ হাসান খানের স্বাক্ষর করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেনের টিকিট ইস্যুর ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। বুধবার রেলপথ মন্ত্রকের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দিন দিন দেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুই সপ্তাহের জন্য ৬০ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যা বুধবার থেকে দুই সপ্তাহের জন্য কার্যকর হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে : বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মোট আসনসংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট একই সঙ্গে অনলাইন, মোবাইল অ্যাপ ও কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে অগ্রিম ব্যবস্থাপনায় ইস্যু করা। আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ইস্যু পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা প্রদান ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

টিকিট ইস্যুর উল্লেখিত সংশোধনীগুলো ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে সময়ে সময়ে জারীকৃত টিকিট ইস্যু এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অন্যান্য নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
শরিফুল আলম জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ তারিখ পর্যন্তই রেলের টিকিট বিক্রি করা হবে। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত আসলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ১১ তারিখের পরও সব ধরনের লোকাল ট্রেন চালু থাকবে।

এর আগে সোমবার গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা জারি করে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে করোনা প্রতিরোধে মোট ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে এ কথা বলা হয়। এর আগে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ৩১ মে থেকে গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রাখতে বলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

তখন বাসমালিকদের দাবির মুখে বাসের ভাড়া ৬০ ভাগ বাড়ায় সরকার। এর আগে দীর্ঘদিন গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকে। তবে করোনার সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও বাসের সব সিটে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী জানান, আমাদের সব ট্রেনে আমাদের যে কয়টি আসন আছে, তার অর্ধেক টিকিট বিক্রি হবে। আর আন্তঃনগর ট্রেনের কিছু অগ্রিম টিকেট বিক্রি আছে। তা যদি ৫০ শতাংশের বেশি হয়ে থাকে, তাহলে কিছু করার নেই। কিন্তু এখন থেকে আর ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি করব না।